আজ শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বরন করলো পারুলিয়ার মুজিবর ড্রাইভার দেবহাটার চিংড়ী ঘেরগুলোতে অবাধে চলছে লুটপাট, সশস্ত্র ডাকাতিঃ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ঘের ব্যবসায়ীরাঃ দেবহাটায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত দেবহাটা ইসলামী ছাএ শিবিরে গৃহদাহঃ নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিরোধের মুখে জেলা নেতৃত্বঃসখিপুর মাদ্রাসা সভায় উত্তেজনাঃ পুলিশী উপস্হিতি পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রন পারুলিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অনুপ স্যারের পরলোক গমন চলে গেলেন মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী পারুলিয়ার আতিয়ার রহমান গদাই কুলিয়ার টিকেটে ভূগর্ভস্হ অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান কালে বালু দস্যু মোস্তফা অপদস্হ করলো ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকেঃজনপ্রতিরোধে পালানো মোস্তফাঃ মামলার প্রস্তুুতি দেবহাটার কুলিয়ায় বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুর ইসলামের রাষ্টীয় মর্যাদায় দাফন দেবহাটায় অসুস্থ জামায়াত কর্মি এবাদুলকে আর্থিক সহায়তা দিলেন জামায়াতের আমীর মাদক, ছিনতাই দেহ ব্যবসায়ী খোদে ও পুএদের শাস্তি ও বিতাড়িত করতে পারুলিয়ায় সকল দল মত এক কাতারেঃ মানব বন্ধনে হাজরো প্রতিবাদী জনসমাজঃজামিন বাতিলের দাবী,

দেবহাটার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথঃ বিদ্যালয়ের ঝুকিপূর্ন ভবনে চলছে পাঠদানঃ ঘটতে পারে দূর্ঘটনাঃ স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলেন জেলা প্রাথঃ শিক্ষা অফিসারঃভবন নির্মানের আশ্বাস

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৫১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪২৬ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।। চারিদিকে সবুজের সমারোহ,গাছগাছালিতে পরিপূর্ণ,পাখির কিচিরমিচির কুহতান, এক কথায় ছায়াঢাকা পাখিঢাকা এক অন্যন্য অসাধারন নয়নাভিরাম দৃশ্যপট,কেমলমতি শিক্ষার্থীদের দৌড়ঝাপ কিন্তু প্রতিমূহুর্তে অজানা শঙ্কা যে কোন সময়ে ভেঙ্গে পড়তে পারে পুরাতন আর ঝুকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন।ঐতিয্যবাহী আর বহু স্নৃতি বিজাড়িত সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভগ্নাদশা ঝুকিপূর্ণ ভবনের তর্তমান দৃশ্য এমন ই। অযতৃন অবহেলা একই সাথে অতি পুরাতন ভবন দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌছেছে। ভবনের কক্ষগুলো এতটুকু জরাজীর্ণতার আবত্তে যে কোন সময়ে ভেঙ্গে পড়ে জীবনহানী ঘটতে পারে কোমল মতি শিক্ষার্থীদের।বিদ্যালয় সূএে জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে ১নং ভবন (তিন কক্ষ) ২০০২ সালে এবং ২নং ভবন (দুই কক্ষ) ২০০৯ সালে নির্মিত হলেও ফাটল ধরে পড়া দেয়াল ও ছাদের ক্ষয়জনিত কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। বিদ্যালয়টিতে অতি সম্প্রতি পরিদর্শনে আসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন।,তিনি স্বচক্ষে ভঙ্গুর দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন।শিক্ষা অফিসারের আগমনের খবরে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয় ভবন নির্মান সহ বর্তমান ঝুকিপূর্ণ ভবনে শ্রেণিপাঠদান দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশাঙ্কা ব্যক্ত করলে অতি দ্রুত নতুন ভবন নির্মানে তিনি উর্ধত্নন কর্তপক্ষকে অবহিত করবেন বলে অভিভাবকদের আশ্বস্হ করেন। অভিভাবক আব্দুর রউফ ও মামুন হোসেন বলেন, ভবনের দুরবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমিনা খাতুন বলেন, ছোট শিশুরা শ্রেণিকক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে, এক কথায় বলা যায় দূর্ঘটনার আশাঙ্কা কে সঙ্গী করে পাঠদান চলছে। শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ইদ্রিস আলী জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় ইতোমধ্যে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন এবং আমাকে নতুন ভবন নির্মানের জন্য পএ প্রেরন করার জন্য তাগেদা দিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে এবং নতুন ভবনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি আর ও বলেন আমাদের সন্তানদের কে সুন্দর, স্বাভাবিক, স্বাস্হ্যসম্নত,আনন্দময়, স্বাচ্ছন্দময় পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ uজীবন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।আগামীর বাংলাদেশ আজকের শিশুদের কে নিরাপদ রাখাই আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বরন করলো পারুলিয়ার মুজিবর ড্রাইভার

দেবহাটার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথঃ বিদ্যালয়ের ঝুকিপূর্ন ভবনে চলছে পাঠদানঃ ঘটতে পারে দূর্ঘটনাঃ স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলেন জেলা প্রাথঃ শিক্ষা অফিসারঃভবন নির্মানের আশ্বাস

আপডেট সময়: ০৪:৫১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।। চারিদিকে সবুজের সমারোহ,গাছগাছালিতে পরিপূর্ণ,পাখির কিচিরমিচির কুহতান, এক কথায় ছায়াঢাকা পাখিঢাকা এক অন্যন্য অসাধারন নয়নাভিরাম দৃশ্যপট,কেমলমতি শিক্ষার্থীদের দৌড়ঝাপ কিন্তু প্রতিমূহুর্তে অজানা শঙ্কা যে কোন সময়ে ভেঙ্গে পড়তে পারে পুরাতন আর ঝুকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন।ঐতিয্যবাহী আর বহু স্নৃতি বিজাড়িত সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভগ্নাদশা ঝুকিপূর্ণ ভবনের তর্তমান দৃশ্য এমন ই। অযতৃন অবহেলা একই সাথে অতি পুরাতন ভবন দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌছেছে। ভবনের কক্ষগুলো এতটুকু জরাজীর্ণতার আবত্তে যে কোন সময়ে ভেঙ্গে পড়ে জীবনহানী ঘটতে পারে কোমল মতি শিক্ষার্থীদের।বিদ্যালয় সূএে জানা গেছে, বিদ্যালয়টিতে ১নং ভবন (তিন কক্ষ) ২০০২ সালে এবং ২নং ভবন (দুই কক্ষ) ২০০৯ সালে নির্মিত হলেও ফাটল ধরে পড়া দেয়াল ও ছাদের ক্ষয়জনিত কারণে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষত বৃষ্টির সময় পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়। বিদ্যালয়টিতে অতি সম্প্রতি পরিদর্শনে আসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন।,তিনি স্বচক্ষে ভঙ্গুর দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন।শিক্ষা অফিসারের আগমনের খবরে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয় ভবন নির্মান সহ বর্তমান ঝুকিপূর্ণ ভবনে শ্রেণিপাঠদান দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশাঙ্কা ব্যক্ত করলে অতি দ্রুত নতুন ভবন নির্মানে তিনি উর্ধত্নন কর্তপক্ষকে অবহিত করবেন বলে অভিভাবকদের আশ্বস্হ করেন। অভিভাবক আব্দুর রউফ ও মামুন হোসেন বলেন, ভবনের দুরবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমিনা খাতুন বলেন, ছোট শিশুরা শ্রেণিকক্ষে আতঙ্কের মধ্যে পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১০৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে, এক কথায় বলা যায় দূর্ঘটনার আশাঙ্কা কে সঙ্গী করে পাঠদান চলছে। শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ ইদ্রিস আলী জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয় ইতোমধ্যে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন এবং আমাকে নতুন ভবন নির্মানের জন্য পএ প্রেরন করার জন্য তাগেদা দিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন জানান, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে এবং নতুন ভবনের প্রস্তাব প্রেরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি আর ও বলেন আমাদের সন্তানদের কে সুন্দর, স্বাভাবিক, স্বাস্হ্যসম্নত,আনন্দময়, স্বাচ্ছন্দময় পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ uজীবন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।আগামীর বাংলাদেশ আজকের শিশুদের কে নিরাপদ রাখাই আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য।