আজ রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
কুলিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ না করার দাবিতে সর্বস্তরের জনমানুষের মানববন্ধন জেলা প্রশাসক দেখবেন কি? দেবহাটায় পেট্রোল ১৪৫, অকটেন ১৫০ টাকায় বিক্রি করছে ডিলাররাঃ সরকারি মূল্য পেট্রোল১৪০ ও অকটেন ১৪৫ঃ বাড়ছে ক্ষোভ খেজুরবাড়ীয়ার মাদক ব্যবসায়ী ঘরজামাই নুরুজ্জামান কে গ্রাম ছাড়া করলো গ্রামবাসি পারুলিয়ায় মাদক ব্যবসায়ী খোদেজা গংএর শাস্তীর দাবীতে আবার ও মানব বন্ধন ও সমাবেশ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও পানির বোতল বিতরণ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও পানির বোতল বিতরণ সখিপুরে গ্রাম আদালত সচেতনতা বিষয়ক উদ্ভুদ্ধ করন আলোচনা সভা দেবহাটায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রতিবন্ধী সহায়ক সামগ্রী বিতরন দেবহাটায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ভোধন দক্ষিন পারুলিয়া সার্বজনিন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সভাপতি পলাশ, সাধরন সম্পাদক উত্তম

জেলা প্রশাসক দেখবেন কি? দেবহাটায় পেট্রোল ১৪৫, অকটেন ১৫০ টাকায় বিক্রি করছে ডিলাররাঃ সরকারি মূল্য পেট্রোল১৪০ ও অকটেন ১৪৫ঃ বাড়ছে ক্ষোভ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

সাফায়েত হোসেন বাচ্চু ও লিটন ঘোষ বাপী।।সারাদেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে এবং জনসাধারন তথা ভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যে তা সংগ্রহ করছে।অথচ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় পেট্রোল, অকটেন বিক্রিতে চলছে চরম নৈরাজ্য।সরকার নির্ধারিত বিক্রয় নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার অন্ততঃ ৬,৭ জন সনদধারী ডিলাররা পেট্রোল লিটার প্রতি ১৪৫ এবং অকটেন ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করছে।অথচ সরকারি মূল্য পেট্রোল লিটার প্রতি ১৪০ ও অকটেন লিটার প্রতি ১৪৫ টাকা।ক্রেতারা জানান জ্বালানী বাজার স্বাভাবিক হওয়ার কয়েকদিন পর থেকে দেবহাটার জ্বালানী ডিলাররা জ্বালানী সরবরাহ করার পর থেকে অধিকমূল্য পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করে আসছে।উপজেলার পারুলিয়া,কুলিয়া,সখিপুর, গাজিরহাট সহ অপরাপর এলাকায় চড়ামূল্য বিক্রি করছে পেট্রোল ও অকটেন।ক্রেতারা বেশীমূল্যে বিক্রির প্রতিবাদ করলে বিক্রেতাদের (ডিলার) থেকে ভাল ব্যবহার যেমন পাচ্ছে না অনুরুপ জ্বালানী বিক্রি না করার হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।একাধীক ক্রেতা এ প্রতিবেদকের নিকট ১৪৫ টায় প্রতি লিটার পেট্রোল ও ১৫০ টাকায় প্রতি লিটার অকটেন বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেছ দেবহাটার সকল ডিলার নিজেরা যোগসাজসে সিন্ডিকেট করে সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা বেশী মূল্য বিক্রি করছে এমন অভিযোগ ভোক্তাদের আর এ নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডতা চলছেএবং ব্যাপক ভিত্তিক ক্ষোভের সঞ্চার ঘটছে।সরকার প্রদেয় বৈধ সনদ ধারী ডিলাররা সরকারি নীতিমালা,বিধি, বিধান লঙ্ঘন করছে অথচ তারা বৈধ সনদধারী?ক্রেতাদের জিম্নি করার দুঃসাহস প্রদর্শনকারি ডিলারদের আইনের মুখোমুখি করা সহ সনদ বাতিলের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের সময় এসেছে এমন টি মনে করেন জনসমাজ।বেশী মূল্যে জ্বালানী বিক্রির বিষয়ে পারুলিয়ার ডিলার সিফা স্টোরের মালিক বশির আহম্নদের নিকট জানতে চাইলে তিনি দূষ্টিপাত কে বলেন পাম্প থেকে ক্রয় করতে হচ্ছে যে কারনে বেশী দামে বিক্রি করছি।পাম্প হতে কি প্রতি লিটার পেট্রোল ১৪০ ও প্রতি লিটার অকটেন ১৪৫ টাকার বেশী মূল্যে ক্রয় করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন না সরকারি মূল্যে ক্রয় করছি।তাহলে বেশী মূল্যে বিক্রি কেন? উত্তরে তিনি পরিবহন খরচের কারনে বেশী মূল্য বিক্রির কথা জানান।ডিলারের বক্তব্য সত্য হিসেবে গ্রহন করা হলে ও প্রতি লিটার পেট্রোল ও প্রতি লিটার অকটেন বহন খরচ দাঁড়ায় ০৫ টাকা। তাহলে সাতক্ষীরা হতে কুলিয়া,পারুলিয়া,সখিপুর,গাজিরহা পর্যন্ত জ্বালানী বাহী ট্রাক পরিবহন খরচ কত? বিবেচনা করলে সহজেই অনুমেয়।দেবহাটা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরুজ্জামান কামরুল দৃষ্টিপাত কে বলেন সরকার প্রবর্তিত ও নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে বিক্রির বিষয় টি কেবল জনসাধারনের উপর অনায্য অর্থ চাপিয়ে দেওয়া নয়, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা।তিনি স্হানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

কুলিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ না করার দাবিতে সর্বস্তরের জনমানুষের মানববন্ধন

জেলা প্রশাসক দেখবেন কি? দেবহাটায় পেট্রোল ১৪৫, অকটেন ১৫০ টাকায় বিক্রি করছে ডিলাররাঃ সরকারি মূল্য পেট্রোল১৪০ ও অকটেন ১৪৫ঃ বাড়ছে ক্ষোভ

আপডেট সময়: ০৪:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সাফায়েত হোসেন বাচ্চু ও লিটন ঘোষ বাপী।।সারাদেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে এবং জনসাধারন তথা ভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যে তা সংগ্রহ করছে।অথচ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় পেট্রোল, অকটেন বিক্রিতে চলছে চরম নৈরাজ্য।সরকার নির্ধারিত বিক্রয় নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার অন্ততঃ ৬,৭ জন সনদধারী ডিলাররা পেট্রোল লিটার প্রতি ১৪৫ এবং অকটেন ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করছে।অথচ সরকারি মূল্য পেট্রোল লিটার প্রতি ১৪০ ও অকটেন লিটার প্রতি ১৪৫ টাকা।ক্রেতারা জানান জ্বালানী বাজার স্বাভাবিক হওয়ার কয়েকদিন পর থেকে দেবহাটার জ্বালানী ডিলাররা জ্বালানী সরবরাহ করার পর থেকে অধিকমূল্য পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করে আসছে।উপজেলার পারুলিয়া,কুলিয়া,সখিপুর, গাজিরহাট সহ অপরাপর এলাকায় চড়ামূল্য বিক্রি করছে পেট্রোল ও অকটেন।ক্রেতারা বেশীমূল্যে বিক্রির প্রতিবাদ করলে বিক্রেতাদের (ডিলার) থেকে ভাল ব্যবহার যেমন পাচ্ছে না অনুরুপ জ্বালানী বিক্রি না করার হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।একাধীক ক্রেতা এ প্রতিবেদকের নিকট ১৪৫ টায় প্রতি লিটার পেট্রোল ও ১৫০ টাকায় প্রতি লিটার অকটেন বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেছ দেবহাটার সকল ডিলার নিজেরা যোগসাজসে সিন্ডিকেট করে সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা বেশী মূল্য বিক্রি করছে এমন অভিযোগ ভোক্তাদের আর এ নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডতা চলছেএবং ব্যাপক ভিত্তিক ক্ষোভের সঞ্চার ঘটছে।সরকার প্রদেয় বৈধ সনদ ধারী ডিলাররা সরকারি নীতিমালা,বিধি, বিধান লঙ্ঘন করছে অথচ তারা বৈধ সনদধারী?ক্রেতাদের জিম্নি করার দুঃসাহস প্রদর্শনকারি ডিলারদের আইনের মুখোমুখি করা সহ সনদ বাতিলের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের সময় এসেছে এমন টি মনে করেন জনসমাজ।বেশী মূল্যে জ্বালানী বিক্রির বিষয়ে পারুলিয়ার ডিলার সিফা স্টোরের মালিক বশির আহম্নদের নিকট জানতে চাইলে তিনি দূষ্টিপাত কে বলেন পাম্প থেকে ক্রয় করতে হচ্ছে যে কারনে বেশী দামে বিক্রি করছি।পাম্প হতে কি প্রতি লিটার পেট্রোল ১৪০ ও প্রতি লিটার অকটেন ১৪৫ টাকার বেশী মূল্যে ক্রয় করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন না সরকারি মূল্যে ক্রয় করছি।তাহলে বেশী মূল্যে বিক্রি কেন? উত্তরে তিনি পরিবহন খরচের কারনে বেশী মূল্য বিক্রির কথা জানান।ডিলারের বক্তব্য সত্য হিসেবে গ্রহন করা হলে ও প্রতি লিটার পেট্রোল ও প্রতি লিটার অকটেন বহন খরচ দাঁড়ায় ০৫ টাকা। তাহলে সাতক্ষীরা হতে কুলিয়া,পারুলিয়া,সখিপুর,গাজিরহা পর্যন্ত জ্বালানী বাহী ট্রাক পরিবহন খরচ কত? বিবেচনা করলে সহজেই অনুমেয়।দেবহাটা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরুজ্জামান কামরুল দৃষ্টিপাত কে বলেন সরকার প্রবর্তিত ও নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা অধিক মূল্যে বিক্রির বিষয় টি কেবল জনসাধারনের উপর অনায্য অর্থ চাপিয়ে দেওয়া নয়, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা।তিনি স্হানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করেন।