আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
পারুলিয়া এস,এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বোর্ড বৃত্তি অর্জন দেবহাটার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন দেবহাটা উপজেলায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও গাছের চারা বিতরণ। সিলেট বরিশালের বাজারে ব্যাপক চাহিদা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির পারুলিয়া বাজারে সচেতনতা মূলক সভা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীদের সংগঠন দরদির নতুন কমিটি গঠন, সদস্যদের আলো ছড়ানো উপস্হিতি দেবহাটা সীমান্তের ইছামতীতে বিজয়া দশমীতে উপচে পড়া ভিড়,দুই পারের জনমানুষের আবেগ অনুভূতির সম্নিলন,প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে স্ব স্ব সীমানায়,সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল নিছিদ্র দেবহাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মুকুলের মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু দেবহাটার পারুলিয়ার সন্তান কামরুজ্জামান রিপন হলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মহা অষ্টমীতেক কুমারী রূপে দেবী দুর্গার বন্দনা : আজ মহানবমী,মণ্ডবে মণ্ডবে ঁবাজবে বিদায়ের সুর

সংস্কার নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার তথ্য সঠিক নয়

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৮:২৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে এমন তথ্য সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পুরোপুরি চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) অন্তর্বর্তী সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি শেয়ার করেছেন।

এতে বলা হয়, রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোটার্স অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

সেখানে বলা হয়, সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে- এটা সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে চলমান থাকবে।

রোববার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভা হয়তো নভেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার মধ্যে ২৩টি আশু করণীয় ছিল। যা এই সরকারের সময়সীমার মধ্যে করা সম্ভব। মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে ১৩টি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এটা শিগগিরই আপনারা দেখতে পাবেন। এটা যে খুব বড় কিছু এমন নয়। কিন্তু আমাদের যে সময়সীমা আছে, তখনকার জন্য ছিল তিন মাস। এখন হয়তো আর এক মাস আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে জিনিসগুলো করা হবে, সেটা কেবিনেটে করতে হবে। অথবা নীতিমালা বা অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে হবে। এসব জিনিস আমরা হয়তো নভেম্বরের পরে আর করতে পারব না। কারণ নভেম্বরেই হয়তো কেবিনেট মিটিংটা ক্লোজড হয়ে যাবে। এরপর নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেবে এবং নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পরে স্বভাবতই আর কেবিনেট বসে না। তাই আইন প্রণয়নের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আমরা আগামী মাসের মধ্যেই করতে চাই। আর যেগুলো মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মাধ্যমে করতে পারব সেগুলোও শিগগিরই করে ফেলব।’

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

পারুলিয়া এস,এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বোর্ড বৃত্তি অর্জন

সংস্কার নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার তথ্য সঠিক নয়

আপডেট সময়: ০৮:২৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে এমন তথ্য সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পুরোপুরি চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) অন্তর্বর্তী সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি শেয়ার করেছেন।

এতে বলা হয়, রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোটার্স অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

সেখানে বলা হয়, সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে- এটা সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে চলমান থাকবে।

রোববার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভা হয়তো নভেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার মধ্যে ২৩টি আশু করণীয় ছিল। যা এই সরকারের সময়সীমার মধ্যে করা সম্ভব। মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে ১৩টি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এটা শিগগিরই আপনারা দেখতে পাবেন। এটা যে খুব বড় কিছু এমন নয়। কিন্তু আমাদের যে সময়সীমা আছে, তখনকার জন্য ছিল তিন মাস। এখন হয়তো আর এক মাস আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে জিনিসগুলো করা হবে, সেটা কেবিনেটে করতে হবে। অথবা নীতিমালা বা অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে হবে। এসব জিনিস আমরা হয়তো নভেম্বরের পরে আর করতে পারব না। কারণ নভেম্বরেই হয়তো কেবিনেট মিটিংটা ক্লোজড হয়ে যাবে। এরপর নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেবে এবং নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পরে স্বভাবতই আর কেবিনেট বসে না। তাই আইন প্রণয়নের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আমরা আগামী মাসের মধ্যেই করতে চাই। আর যেগুলো মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মাধ্যমে করতে পারব সেগুলোও শিগগিরই করে ফেলব।’