আজ শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
​সাতক্ষীরায় অনলাইন সাইবার বুলিং ও সহিংসতা প্রতিরোধে অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করলেন মন্ত্রী পরিষদ যুগ্ম-সচিব আশরাফুল আলম সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাসিক সভায় আক্রমাত্নক আচরন,বিরক্ত,বিব্রত অফিসাররা দেবহাটায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস দেবহাটা নোয়াপাড়ার রামনাথপুরে মাদক বিরোধী র‍্যালির ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পারুলিয়ার সমাজ সেবক যুগ্ন সচিব আবুল হাসানের পিতা আব্বাজ আলী গাজীর দাফন সম্পন্ন কুলিয়ায় জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি দেবহাটায় উল্টো রথের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা

সংস্কার নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার তথ্য সঠিক নয়

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৮:২৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে এমন তথ্য সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পুরোপুরি চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) অন্তর্বর্তী সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি শেয়ার করেছেন।

এতে বলা হয়, রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোটার্স অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

সেখানে বলা হয়, সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে- এটা সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে চলমান থাকবে।

রোববার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভা হয়তো নভেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার মধ্যে ২৩টি আশু করণীয় ছিল। যা এই সরকারের সময়সীমার মধ্যে করা সম্ভব। মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে ১৩টি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এটা শিগগিরই আপনারা দেখতে পাবেন। এটা যে খুব বড় কিছু এমন নয়। কিন্তু আমাদের যে সময়সীমা আছে, তখনকার জন্য ছিল তিন মাস। এখন হয়তো আর এক মাস আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে জিনিসগুলো করা হবে, সেটা কেবিনেটে করতে হবে। অথবা নীতিমালা বা অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে হবে। এসব জিনিস আমরা হয়তো নভেম্বরের পরে আর করতে পারব না। কারণ নভেম্বরেই হয়তো কেবিনেট মিটিংটা ক্লোজড হয়ে যাবে। এরপর নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেবে এবং নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পরে স্বভাবতই আর কেবিনেট বসে না। তাই আইন প্রণয়নের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আমরা আগামী মাসের মধ্যেই করতে চাই। আর যেগুলো মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মাধ্যমে করতে পারব সেগুলোও শিগগিরই করে ফেলব।’

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

​সাতক্ষীরায় অনলাইন সাইবার বুলিং ও সহিংসতা প্রতিরোধে অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সংস্কার নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার তথ্য সঠিক নয়

আপডেট সময়: ০৮:২৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে এমন তথ্য সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পুরোপুরি চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) অন্তর্বর্তী সরকারের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি শেয়ার করেছেন।

এতে বলা হয়, রোববার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোটার্স অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

সেখানে বলা হয়, সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে- এটা সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে চলমান থাকবে।

রোববার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভা হয়তো নভেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার মধ্যে ২৩টি আশু করণীয় ছিল। যা এই সরকারের সময়সীমার মধ্যে করা সম্ভব। মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে ১৩টি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এটা শিগগিরই আপনারা দেখতে পাবেন। এটা যে খুব বড় কিছু এমন নয়। কিন্তু আমাদের যে সময়সীমা আছে, তখনকার জন্য ছিল তিন মাস। এখন হয়তো আর এক মাস আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে জিনিসগুলো করা হবে, সেটা কেবিনেটে করতে হবে। অথবা নীতিমালা বা অধ্যাদেশ প্রণয়ন করতে হবে। এসব জিনিস আমরা হয়তো নভেম্বরের পরে আর করতে পারব না। কারণ নভেম্বরেই হয়তো কেবিনেট মিটিংটা ক্লোজড হয়ে যাবে। এরপর নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেবে এবং নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পরে স্বভাবতই আর কেবিনেট বসে না। তাই আইন প্রণয়নের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আমরা আগামী মাসের মধ্যেই করতে চাই। আর যেগুলো মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মাধ্যমে করতে পারব সেগুলোও শিগগিরই করে ফেলব।’