আজ রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
দেবহাটায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী দেবহাটায় কমিউনিটি পুলিশিং কাপ কাবাডি প্রতিযোগীতার বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত দেবহাটার কোমপুরে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজঃ নিজে রোপন করলেন বৃক্ষ কুলিয়ায় বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধেসচেতনতামূলক সভা দেবহাটা উপজেলা পানি কমিটির ত্রৈমাসিক সভা  নিষিদ্ধ ঘোষিত দেবহাটা আ’ লীগ সভাপতি মুজিবর রহমান কারাগারে কুলিয়ায় ‘সবুজ ও সহনশীল ইকো ভিলেজ’ ঘোষিত পারুলিয়ার খেজুবাড়ীয়ায় দুঃসাহসিক চুরি দেবহাটায় বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে লোকে লোকারণ্যঃ উচ্ছ্বাসিত নেতা,কর্মি সমর্থকরা দেবহাটায় ‘দ্য এডিটরস’র ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভা

প্রাথমিকের বিদ্যালয় ভবন নির্মান শেষ না করে ঠিকাদরের বিল উত্তলোন,আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলী বদলি,দায়িক্ত্ব এড়াবেন কিভাবে নির্বাহী প্রকৌশলী

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা।।প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মানাধীন বিদ্যালয় ভবনের কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার বিল উত্তলোন করেছে আর এমনটি সম্ভব হয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীর ইচ্ছায় ।অথচ উল্লেখিত দায়িক্তশীল প্রকৌশলীরা সংশ্লিষ্ট নির্মান কাজের তদারকির মহান রাষ্ট্রীয় কাজে নিয়োজিত।ঘটনাটি ঘটেছে আশাশুনি উপজেলায়।এ ঘটনা জানজানি হলে উপজেলা প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে অন্যদিকে নির্নাহী প্রকৌশলী এস, এম তারিকুল হাসান কতটুকু দায়িক্তশীলতার পরিচয় দিয়েচে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সাতক্ষীরার চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এলেও ১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৭টির কাজ শেষ হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ এখনো ঝুলে আছে। অসম্পূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে–আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি, দয়ারঘাট, বুড়িয়া ও গোয়ালডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; তালা উপজেলার শিরাশুনি, ওমরপুর ও উত্তর শাহজাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; শ্যামনগর উপজেলার বাইনতলা, গাবুরা, গাবুরা খোলপেটুয়া ও পশ্চিম কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ও বাজুয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আশাশুনির দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী বলেন, “২০২৪ সালে কাজ শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বাকি কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে আমরা চরম দুশ্চিন্তায় আছি।” সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন,আমি একাধীক বার নির্মানাধীন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি এবং নির্মান কাজ বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কাজ শেষ করার তাগিদ ও দিয়েছি।তিনি আর ও বলেন, ভবন নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা জরুরি। কাজ যথাযথভাবে বুঝে নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কাজ সম্পন্ন না করেই বিল প্রদানের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলীকে তদন্তের পর শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।জনমনে প্রশ্ন উঠেছে,এলজিইডির দায়িক্তশীলরা কিভাবে, কোন নীতিমালায় ভবন নির্মান কাজ শেষ না হলে ও বিল ছাড় করলো? আর নির্মান কাজ পরিদর্শন বা তদারকি কেবল উপজেলা প্রকৌশলী বা দায়িক্তপ্রাপ্ত এস ও একক ভাবে দেখভাল করে না এক্ষেএে নির্বাহী প্রকৌশলীর পরিদর্শন থাকে অন্যদিকে বিল প্রদানে ও একক ভাবে কোন প্রকৌশলীর দায়িক্ত নয় সব কিছু হতে হয় ধাপে ধাপে উর্ধত্নন কর্তপক্ষের দেখভালের দায়িক্ত থাকে।কাজ শেষ নয় অথচ বিল ছাড় তাহলে সঙ্গত কারনেই প্রশ্ন উঠেছে সকল দায়িক্তশীলরাই কি একই পথে হেটেছে?

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিকের বিদ্যালয় ভবন নির্মান শেষ না করে ঠিকাদরের বিল উত্তলোন,আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলী বদলি,দায়িক্ত্ব এড়াবেন কিভাবে নির্বাহী প্রকৌশলী

আপডেট সময়: ০৫:১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

বাদশাহী বার্তা।।প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মানাধীন বিদ্যালয় ভবনের কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার বিল উত্তলোন করেছে আর এমনটি সম্ভব হয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীর ইচ্ছায় ।অথচ উল্লেখিত দায়িক্তশীল প্রকৌশলীরা সংশ্লিষ্ট নির্মান কাজের তদারকির মহান রাষ্ট্রীয় কাজে নিয়োজিত।ঘটনাটি ঘটেছে আশাশুনি উপজেলায়।এ ঘটনা জানজানি হলে উপজেলা প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে অন্যদিকে নির্নাহী প্রকৌশলী এস, এম তারিকুল হাসান কতটুকু দায়িক্তশীলতার পরিচয় দিয়েচে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সাতক্ষীরার চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এলেও ১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১৭টির কাজ শেষ হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ এখনো ঝুলে আছে। অসম্পূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে–আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি, দয়ারঘাট, বুড়িয়া ও গোয়ালডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; তালা উপজেলার শিরাশুনি, ওমরপুর ও উত্তর শাহজাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়; শ্যামনগর উপজেলার বাইনতলা, গাবুরা, গাবুরা খোলপেটুয়া ও পশ্চিম কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ও বাজুয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আশাশুনির দক্ষিণ কাদাকাটি কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিতা চৌধুরী বলেন, “২০২৪ সালে কাজ শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বাকি কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে আমরা চরম দুশ্চিন্তায় আছি।” সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেন,আমি একাধীক বার নির্মানাধীন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি এবং নির্মান কাজ বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কাজ শেষ করার তাগিদ ও দিয়েছি।তিনি আর ও বলেন, ভবন নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা জরুরি। কাজ যথাযথভাবে বুঝে নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তারিকুল হাসান খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কাজ সম্পন্ন না করেই বিল প্রদানের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলীকে তদন্তের পর শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।জনমনে প্রশ্ন উঠেছে,এলজিইডির দায়িক্তশীলরা কিভাবে, কোন নীতিমালায় ভবন নির্মান কাজ শেষ না হলে ও বিল ছাড় করলো? আর নির্মান কাজ পরিদর্শন বা তদারকি কেবল উপজেলা প্রকৌশলী বা দায়িক্তপ্রাপ্ত এস ও একক ভাবে দেখভাল করে না এক্ষেএে নির্বাহী প্রকৌশলীর পরিদর্শন থাকে অন্যদিকে বিল প্রদানে ও একক ভাবে কোন প্রকৌশলীর দায়িক্ত নয় সব কিছু হতে হয় ধাপে ধাপে উর্ধত্নন কর্তপক্ষের দেখভালের দায়িক্ত থাকে।কাজ শেষ নয় অথচ বিল ছাড় তাহলে সঙ্গত কারনেই প্রশ্ন উঠেছে সকল দায়িক্তশীলরাই কি একই পথে হেটেছে?