আজ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo দেবহাটায় এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী আয়োজন Logo সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনঃ সুষ্ঠ,উৎসব মূখর ও নিরাপত্তা বলয়ঃঅভিভাবকদের সন্তষ্টি Logo দেবহাটায় পহেলা বৈশাখে মনোমুগ্ধকর আয়োজন Logo শহীদ জিয়ার স্নৃতি বিজড়িত দেবহাটার দশ ফুট খাল পুনঃখনন Logo সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের আহবায়ক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু,সদসয় সচিব রিপন ক্রীড়াঙ্গনে খুশির ঝিলিক Logo দেবহাটায় খাল খননের শুভ সূচনা করলো সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক Logo পারুলিয়া আদর্শগ্রাম সমবায় সমিতির সদস্য প্রশিক্ষন Logo দেবহাটায় বাছাইকৃত কর্মিদের শিক্ষা সভায় জেলা জামায়াত আমীর Logo সরকারি প্রাথঃ বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট ঃপারুলিয়া মডেল সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন Logo কুলিয়া বাজার আহবায়ক কমিটি গঠন
বিজ্ঞাপন দিন:
দেবহাটায় এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী আয়োজন সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিনঃ সুষ্ঠ,উৎসব মূখর ও নিরাপত্তা বলয়ঃঅভিভাবকদের সন্তষ্টি দেবহাটায় পহেলা বৈশাখে মনোমুগ্ধকর আয়োজন শহীদ জিয়ার স্নৃতি বিজড়িত দেবহাটার দশ ফুট খাল পুনঃখনন সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের আহবায়ক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু,সদসয় সচিব রিপন ক্রীড়াঙ্গনে খুশির ঝিলিক দেবহাটায় খাল খননের শুভ সূচনা করলো সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক পারুলিয়া আদর্শগ্রাম সমবায় সমিতির সদস্য প্রশিক্ষন দেবহাটায় বাছাইকৃত কর্মিদের শিক্ষা সভায় জেলা জামায়াত আমীর সরকারি প্রাথঃ বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট ঃপারুলিয়া মডেল সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন কুলিয়া বাজার আহবায়ক কমিটি গঠন

সদর উপজেলার আলিপুরের বাগমারী ও দেবহাটার কুলিয়ার কদমখালীর দুই সড়ক অস্তিত্ব সংকটেঃ নদীর সাথে কাকার হওয়ার পথেঃআতঙ্ঙ্কিত জনমানুষ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৬:০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাগমারী ও দেবহাটা উপজেলার কদমখালী সহ আর ও কয়েক টি গ্রাম কে পৃথক করেছে বাকাল মরিচ্চপ নদী। অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা সদরেরর আলিপুরেরর বাগমারা,ইসলামপুর,এল্লারচর সহ অন্যান্য গ্রাম এবং দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের কদমখালী শসাডাঙ্গা,গোবরাকালী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের জনসাধারনের যাতায়াত ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কদমকালী ও বাগমারী সড়ক।দীর্ঘ বছরেরর পর বছর হাজার হাজার মানুষ হাটু কাঁদাকে সঙ্গী করে উক্ত বন্ধুর পথ অতিক্রম করার পর পিচঢালা সড়কের দেখা পায়।এক দুই বছর সড়কটি যাতায়াত, যোগাযোগে কাঙ্খিত ভূমিকা রেখে চলেছিল, চিংড়ী নির্ভর আর কৃষি উৎপাদনের বিশেষ ক্ষেএ এ অঞ্চলের মানুষ যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে ও সুবিধা পেয়ে আসছিল।শহরের সাথে সংযোগের আড়ের পথ হিসেবে আশপাশের উপজেলার লোকজন সড়ক দুটি বিশেষ ভাবে ব্যবহার করে আসছিল।এবার জানি সড়ক দুটির করুন,শীর্ণ,জীর্ণ ভগ্নদশা আর প্রায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার চিএ।গতকাল সরেজমিনে সড়ক দুটি পরিদর্শনে দেখা গেছে দীর্ঘ সড়কের বৃহৎ অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।কোথাও কোথাও সড়কটির অস্তিত্ব প্রায় বিপন্ন। অতি বিপদজনক ভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে পথচারিদের।সড়ক দুটির লাগোয়া নদীর ধারে কোন ধরনের প্রতিরোধক নেই যা সড়কটুদিকে নদী হতে রক্ষা করবে। সড়ক নির্মানের দৃশ্যপট বলে দিচ্ছে চরম অনিয়ম দূর্নীতি আর অব্যবস্হাপনার মধ্য দিয়ে দায়সারা গোছে নির্মান করা হয়েছে সড়কদুটি।নদী শাসন যেমন নেই অনুরুপ পিচের উপস্হিতির পরিবর্তে খোয়া মাটির অস্তিত্ব।সড়ক ব্যবহার কারীরা প্রতিমূহুর্তে নিরাপত্তাহীনতা কে সঙ্গী করে চলাচল ও যাতায়াত করছে।কয়েকটি গ্রামের হাজার হজার মানুষ আতঙ্ক এবং উদ্বেগের সাথে দিনযাপন করছে।যে কোন সময় থেমে যেতে পারে এই এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাএা।এলাকাবাসি ক্ষোভের সাথে জানালেন সড়ক নির্মানে যে বা যারা দায়িক্ত ছিলেন তাদের কে আইনের আওতায় আনলেই আগামী দিনে অনিয়ম,দার্নীতি করার প্রবণতা হয়ত হ্রাস পাবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটায় এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী আয়োজন

সদর উপজেলার আলিপুরের বাগমারী ও দেবহাটার কুলিয়ার কদমখালীর দুই সড়ক অস্তিত্ব সংকটেঃ নদীর সাথে কাকার হওয়ার পথেঃআতঙ্ঙ্কিত জনমানুষ

আপডেট সময়: ০৬:০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাগমারী ও দেবহাটা উপজেলার কদমখালী সহ আর ও কয়েক টি গ্রাম কে পৃথক করেছে বাকাল মরিচ্চপ নদী। অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা সদরেরর আলিপুরেরর বাগমারা,ইসলামপুর,এল্লারচর সহ অন্যান্য গ্রাম এবং দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের কদমখালী শসাডাঙ্গা,গোবরাকালী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের জনসাধারনের যাতায়াত ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কদমকালী ও বাগমারী সড়ক।দীর্ঘ বছরেরর পর বছর হাজার হাজার মানুষ হাটু কাঁদাকে সঙ্গী করে উক্ত বন্ধুর পথ অতিক্রম করার পর পিচঢালা সড়কের দেখা পায়।এক দুই বছর সড়কটি যাতায়াত, যোগাযোগে কাঙ্খিত ভূমিকা রেখে চলেছিল, চিংড়ী নির্ভর আর কৃষি উৎপাদনের বিশেষ ক্ষেএ এ অঞ্চলের মানুষ যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে ও সুবিধা পেয়ে আসছিল।শহরের সাথে সংযোগের আড়ের পথ হিসেবে আশপাশের উপজেলার লোকজন সড়ক দুটি বিশেষ ভাবে ব্যবহার করে আসছিল।এবার জানি সড়ক দুটির করুন,শীর্ণ,জীর্ণ ভগ্নদশা আর প্রায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার চিএ।গতকাল সরেজমিনে সড়ক দুটি পরিদর্শনে দেখা গেছে দীর্ঘ সড়কের বৃহৎ অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।কোথাও কোথাও সড়কটির অস্তিত্ব প্রায় বিপন্ন। অতি বিপদজনক ভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে পথচারিদের।সড়ক দুটির লাগোয়া নদীর ধারে কোন ধরনের প্রতিরোধক নেই যা সড়কটুদিকে নদী হতে রক্ষা করবে। সড়ক নির্মানের দৃশ্যপট বলে দিচ্ছে চরম অনিয়ম দূর্নীতি আর অব্যবস্হাপনার মধ্য দিয়ে দায়সারা গোছে নির্মান করা হয়েছে সড়কদুটি।নদী শাসন যেমন নেই অনুরুপ পিচের উপস্হিতির পরিবর্তে খোয়া মাটির অস্তিত্ব।সড়ক ব্যবহার কারীরা প্রতিমূহুর্তে নিরাপত্তাহীনতা কে সঙ্গী করে চলাচল ও যাতায়াত করছে।কয়েকটি গ্রামের হাজার হজার মানুষ আতঙ্ক এবং উদ্বেগের সাথে দিনযাপন করছে।যে কোন সময় থেমে যেতে পারে এই এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাএা।এলাকাবাসি ক্ষোভের সাথে জানালেন সড়ক নির্মানে যে বা যারা দায়িক্ত ছিলেন তাদের কে আইনের আওতায় আনলেই আগামী দিনে অনিয়ম,দার্নীতি করার প্রবণতা হয়ত হ্রাস পাবে।