আজ বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস দেবহাটা নোয়াপাড়ার রামনাথপুরে মাদক বিরোধী র‍্যালির ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পারুলিয়ার সমাজ সেবক যুগ্ন সচিব আবুল হাসানের পিতা আব্বাজ আলী গাজীর দাফন সম্পন্ন কুলিয়ায় জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি দেবহাটায় উল্টো রথের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা প্রত্যয় হাজারীর মৃত্যু কাঁদিয়েছে শত সহস্র মা বাবাকেঃ কাঁদছে সহপাঠি,প্রতিবেশি, স্বজনঃ প্রতিনিয়ত মৃত্যুমুখে প্রত্যয়রা,কিন্তু কেন? দেবহাটায় ইয়াবা ও ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী সহ গ্রেফতার দুই দেবহাটায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের সাথে নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরে ভাইরাল হওয়া রুনা গ্রেপ্তার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ঃ প্রশংসিত হলো আলো ছড়ানো সাতক্ষীরা স্টলঃপরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

সদর উপজেলার আলিপুরের বাগমারী ও দেবহাটার কুলিয়ার কদমখালীর দুই সড়ক অস্তিত্ব সংকটেঃ নদীর সাথে কাকার হওয়ার পথেঃআতঙ্ঙ্কিত জনমানুষ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৬:০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাগমারী ও দেবহাটা উপজেলার কদমখালী সহ আর ও কয়েক টি গ্রাম কে পৃথক করেছে বাকাল মরিচ্চপ নদী। অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা সদরেরর আলিপুরেরর বাগমারা,ইসলামপুর,এল্লারচর সহ অন্যান্য গ্রাম এবং দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের কদমখালী শসাডাঙ্গা,গোবরাকালী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের জনসাধারনের যাতায়াত ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কদমকালী ও বাগমারী সড়ক।দীর্ঘ বছরেরর পর বছর হাজার হাজার মানুষ হাটু কাঁদাকে সঙ্গী করে উক্ত বন্ধুর পথ অতিক্রম করার পর পিচঢালা সড়কের দেখা পায়।এক দুই বছর সড়কটি যাতায়াত, যোগাযোগে কাঙ্খিত ভূমিকা রেখে চলেছিল, চিংড়ী নির্ভর আর কৃষি উৎপাদনের বিশেষ ক্ষেএ এ অঞ্চলের মানুষ যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে ও সুবিধা পেয়ে আসছিল।শহরের সাথে সংযোগের আড়ের পথ হিসেবে আশপাশের উপজেলার লোকজন সড়ক দুটি বিশেষ ভাবে ব্যবহার করে আসছিল।এবার জানি সড়ক দুটির করুন,শীর্ণ,জীর্ণ ভগ্নদশা আর প্রায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার চিএ।গতকাল সরেজমিনে সড়ক দুটি পরিদর্শনে দেখা গেছে দীর্ঘ সড়কের বৃহৎ অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।কোথাও কোথাও সড়কটির অস্তিত্ব প্রায় বিপন্ন। অতি বিপদজনক ভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে পথচারিদের।সড়ক দুটির লাগোয়া নদীর ধারে কোন ধরনের প্রতিরোধক নেই যা সড়কটুদিকে নদী হতে রক্ষা করবে। সড়ক নির্মানের দৃশ্যপট বলে দিচ্ছে চরম অনিয়ম দূর্নীতি আর অব্যবস্হাপনার মধ্য দিয়ে দায়সারা গোছে নির্মান করা হয়েছে সড়কদুটি।নদী শাসন যেমন নেই অনুরুপ পিচের উপস্হিতির পরিবর্তে খোয়া মাটির অস্তিত্ব।সড়ক ব্যবহার কারীরা প্রতিমূহুর্তে নিরাপত্তাহীনতা কে সঙ্গী করে চলাচল ও যাতায়াত করছে।কয়েকটি গ্রামের হাজার হজার মানুষ আতঙ্ক এবং উদ্বেগের সাথে দিনযাপন করছে।যে কোন সময় থেমে যেতে পারে এই এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাএা।এলাকাবাসি ক্ষোভের সাথে জানালেন সড়ক নির্মানে যে বা যারা দায়িক্ত ছিলেন তাদের কে আইনের আওতায় আনলেই আগামী দিনে অনিয়ম,দার্নীতি করার প্রবণতা হয়ত হ্রাস পাবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস

সদর উপজেলার আলিপুরের বাগমারী ও দেবহাটার কুলিয়ার কদমখালীর দুই সড়ক অস্তিত্ব সংকটেঃ নদীর সাথে কাকার হওয়ার পথেঃআতঙ্ঙ্কিত জনমানুষ

আপডেট সময়: ০৬:০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাগমারী ও দেবহাটা উপজেলার কদমখালী সহ আর ও কয়েক টি গ্রাম কে পৃথক করেছে বাকাল মরিচ্চপ নদী। অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা সদরেরর আলিপুরেরর বাগমারা,ইসলামপুর,এল্লারচর সহ অন্যান্য গ্রাম এবং দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের কদমখালী শসাডাঙ্গা,গোবরাকালী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের জনসাধারনের যাতায়াত ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কদমকালী ও বাগমারী সড়ক।দীর্ঘ বছরেরর পর বছর হাজার হাজার মানুষ হাটু কাঁদাকে সঙ্গী করে উক্ত বন্ধুর পথ অতিক্রম করার পর পিচঢালা সড়কের দেখা পায়।এক দুই বছর সড়কটি যাতায়াত, যোগাযোগে কাঙ্খিত ভূমিকা রেখে চলেছিল, চিংড়ী নির্ভর আর কৃষি উৎপাদনের বিশেষ ক্ষেএ এ অঞ্চলের মানুষ যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে ও সুবিধা পেয়ে আসছিল।শহরের সাথে সংযোগের আড়ের পথ হিসেবে আশপাশের উপজেলার লোকজন সড়ক দুটি বিশেষ ভাবে ব্যবহার করে আসছিল।এবার জানি সড়ক দুটির করুন,শীর্ণ,জীর্ণ ভগ্নদশা আর প্রায় নিশ্চিহ্ন হওয়ার চিএ।গতকাল সরেজমিনে সড়ক দুটি পরিদর্শনে দেখা গেছে দীর্ঘ সড়কের বৃহৎ অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।কোথাও কোথাও সড়কটির অস্তিত্ব প্রায় বিপন্ন। অতি বিপদজনক ভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে পথচারিদের।সড়ক দুটির লাগোয়া নদীর ধারে কোন ধরনের প্রতিরোধক নেই যা সড়কটুদিকে নদী হতে রক্ষা করবে। সড়ক নির্মানের দৃশ্যপট বলে দিচ্ছে চরম অনিয়ম দূর্নীতি আর অব্যবস্হাপনার মধ্য দিয়ে দায়সারা গোছে নির্মান করা হয়েছে সড়কদুটি।নদী শাসন যেমন নেই অনুরুপ পিচের উপস্হিতির পরিবর্তে খোয়া মাটির অস্তিত্ব।সড়ক ব্যবহার কারীরা প্রতিমূহুর্তে নিরাপত্তাহীনতা কে সঙ্গী করে চলাচল ও যাতায়াত করছে।কয়েকটি গ্রামের হাজার হজার মানুষ আতঙ্ক এবং উদ্বেগের সাথে দিনযাপন করছে।যে কোন সময় থেমে যেতে পারে এই এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাএা।এলাকাবাসি ক্ষোভের সাথে জানালেন সড়ক নির্মানে যে বা যারা দায়িক্ত ছিলেন তাদের কে আইনের আওতায় আনলেই আগামী দিনে অনিয়ম,দার্নীতি করার প্রবণতা হয়ত হ্রাস পাবে।