বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।। রিপোর্ট।।দেশময় বিরাজ করছে তীব্রশীত।প্রচন্ডভাবে চোখ রাঙাচ্ছে শীত।উত্তরের হীমেল হাওয়া আর কুয়াশা শীতের ভয়াবহতা অধিকতর ছড়িয়ে পড়ছে।এবারের মৌমুমের শীত তীব্রতা নিকট অতীতে দেখা যাইনি।সাতক্ষীরার বাস্তবতায় সর্বএ শীতের উপস্হিতি।সকাল হতে উত্তরের বাতাসের প্রভাবে চিংড়ী নির্ভর জেলার চিংড়ী ঘেরগুলোর ছেচা মারার কাজে বিঘ্ন ঘটছে, এই সময়ে সাতক্ষীরার ঘের ভেড়ী ছেচা মারার সময় কিন্তু শীতের প্রভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।মৎস্য ঘেরের পাশাপাশি কৃষি নির্ভর সাতক্ষীরায় কৃষকরা চাষাবাদের কাজ নির্বিগ্নে করতে পারছে না। শীতে জবুতবু হয়ে অসাড় হয়ে পড়ছে চাষাবাদে কর্মরত কৃষকরা।গত দুইদিন দিনের অধিকাংশ সময় সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি,শীত যন্ত্রনায় বিপর্যস্হ হওয়া জনজীবনে এক ধরনের অস্হিরতা বিরাজমান।চির চেনা কর্মব্যস্ত সাতক্ষীরা শহর অনেক টা ব্যস্তহীন,শহরের ব্যস্ততা শীতের কল্যানে নিমিষেই অনুপস্হিত। যানজটের শহর সাতক্ষীরা শীতের দাপটে যানজট মুক্ত।ভ্যান,রিক্স্রা,ইজিবাইকের চালকরা যাত্রী অভাবে অলস সময় অতিক্রম করছে।খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিশেষ করে কায়িক পরিশ্রমীরা শীতের কারনে কাজ পাচ্ছে না অথবা কাজ করতে পারছে না।সাতক্ষীরা কালিগঞ্জের সড়কে যাএী পরিপূর্ণ বাসগুলোর চিএ পরিবর্তন হয়ে যাএী শুন্যতার পর্যায়ে পৌছেছে।সন্ধ্যার পর থেকে হাট বাজার অনেক টা জনশুন্য হয়ে পড়ছে।শীতের বেহিসেবী উপস্হিতির প্রভাব পড়েছে হোটেল রেস্তরা ও ভাজা ভূজির ব্যবসায়।লোক সমাগমের উপস্হিতির হার কম থাকায় হোটেলের বেচা কেনা হ্রাস পেয়েছে।দেবহাটার পারুলিয়ার ভোলা বাবুর হোটেলের কর্মচারি সিরাজ জানায় দুই তিন দিন বেশী শীত থাকায় খরিদ্দার কমে গেছে।এমন ভাষ্য শহরের খুলনা রোডের ভাজা ভূজি বিক্রেতা আকের রহমানের তিনি জানান শীতের তীব্রতায় বেচাকেনা কমে গেছে।শহরেরর পাশাপাশি মফস্বলের হাটবাজার গুলোতে শীতকালীন ভাপা পিঠা সহ খোলামুছি, পাকান সহ অন্যান্য পিঠা বিক্রি বেড়েছে।শীত যন্ত্রনায় বিশেষভাবে কাহিল নিম্ন বিত্তের জনজীবন।কনকনে শীতে রাতে ঘুমিয়ে ও স্বস্তি নেই,লেপ, কাতা,কম্বলে ও শীত মানাছে না।শীতের পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপন্ন।শীত সেই সাথে কুয়াশার কল্যানে সকালে যানবহান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।নৌ পথ গুলোাতে কুয়াশার কারনে নৌ যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।শীতের সময়গুলোতে শীতবাহীত রোগের প্রভাবে ছর্দি,কাশি,হাপানী,জ্বর,সহ বহুমুখি রোগ ছড়াচ্ছে।সাতক্ষীরা শহরের ফুটপতের গরম কাপড়ের ট্যাং দোকানের পাশাপাশি বৃহৎ বিপনী কেন্দ্রগুলোতে ও গরম কাপড়ের বিক্রি বেড়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আর ও কয়েকদিন শীতের প্রকোপ থাকবে তবে আগামী আছরেরর শুরুতে শীতের প্রকোপ কিছুটা কমবে।শীতের এই সময়গুলোতে সকাল এবং সন্ধ্যায় শরীরে গরম কাপড়ের সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই।
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন:
প্রচণ্ডভাবে চোখ রাঙাচ্ছে শীতঃতীব্রতা থকবে আর ও কয়েকদিন
-
রিপোর্টার - আপডেট সময়: ০৯:০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- ১০০ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ






















