আজ বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস দেবহাটা নোয়াপাড়ার রামনাথপুরে মাদক বিরোধী র‍্যালির ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পারুলিয়ার সমাজ সেবক যুগ্ন সচিব আবুল হাসানের পিতা আব্বাজ আলী গাজীর দাফন সম্পন্ন কুলিয়ায় জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি দেবহাটায় উল্টো রথের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা প্রত্যয় হাজারীর মৃত্যু কাঁদিয়েছে শত সহস্র মা বাবাকেঃ কাঁদছে সহপাঠি,প্রতিবেশি, স্বজনঃ প্রতিনিয়ত মৃত্যুমুখে প্রত্যয়রা,কিন্তু কেন? দেবহাটায় ইয়াবা ও ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী সহ গ্রেফতার দুই দেবহাটায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের সাথে নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরে ভাইরাল হওয়া রুনা গ্রেপ্তার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ঃ প্রশংসিত হলো আলো ছড়ানো সাতক্ষীরা স্টলঃপরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

ভূমিকম্পে কঁাপলো সাতক্ষীরাঃআতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জেলাময়ঃমহিলা ও শিশুদের কান্নাকাটিঃবহু স্হপনা ক্ষতিগ্রস্হ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০২:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

সাফায়েত হোসেন বাচ্চু ও লিটন ঘোষ বাপী।।স্বরণ কালের বড় ধরনের ভূমিকম্প মুখোমুখি হলো সাতক্ষীরার জনসমাজ গতকাল শুক্রবার দুপুর ১ টা ৫০ মিনিটে যখন জুম্নার নামাজ চলছিল আবার কোন কোন এলাকায় জুম্নার নামাজ চলছিল সেই সময়ে কেঁপে ওঠে ভূমি, কাঁপতে থাকে বাসা বাড়ী,মসজিদ সহ বিভিন্ন স্হাপনা,মূহুর্তের মধ্যে নিরাপদ স্হানে ছুটতে থাকে লোকজন।আমাদের সংবাদদাতারা জানান ভূমি কম্পের সময়ে সাতক্ষীরার কোন কোন মসজিদে জুম্নার নামাজ আদায় করছিল আবার কোন কোন মসজিদে নামাজ শেষে মেনাজাত চলছিল।আবহাওয়া দপ্তর জানায় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্হল সাতক্ষীরার আশাশুনি রিক্টারস্কলে ভূমিকম্পের মাএা ৫.৪ এবং ৩৫।সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ী হতে কান্নাকাটি করতে করতে বের হয় বিশেষ করে শিশু ও মহিলাদের আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছিল লক্ষনীয়।সাতক্ষীরায় ইতোপূর্বে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হলে ও এমন ভয়াবহতা কে স্পর্শ করেনি।কম্পনের পরিধি ও বিস্তৃত ২ সেকন্ড বা তার কমবেশি হলে ও কম্পন ছিল মারাত্নক।জেলার কোতাও হতাহতের ঘটনা না ঘটলে ও জেলা সদর সহ উপজেলাগুলোর বহুসংখ্যক ঘরবাড়ী,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্টান ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে।আশাশনি উপজেলার মধয় একসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে।পুকুরে গোসলত লোকজন পানি স্রোত প্রবাহ অনুভব করে ভয়ে গোসল বাদ দিয়ে ডাঙ্গায় উঠে পড়ে।মৎস্যঘের গুলোর পানি দ্যুততার সাথে ওঠানামা করতে থাকে।নির্মানাধীন বিল্ডিং ক্ষতি গ্রস্হ হয়েছে।দেবহাটার খেজুর বাড়ীয়া নুরুল হুদা বাড়ী সংলগ্ন মসজিদের জানালার কাচ ভেঙ্গে গেছে। ঈদগাহ বাজারেরর টাইল্স ও সেনিটারী প্রতিষ্ঠানের সামগ্রী ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।বাসাবাড়ীর জানালর কাচ সহ ফার্নিচারে রক্ষিত সামগ্রী তছনছ হয়েছে।তালা উপজেলার নগরঘাটার বাজেবাড়ীর ইসমাইল সরদারেরর টালীর ঘর ও গোয়াল ঘর ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে, সদর উপজেলার ঝাউসাঙ্গার মহা শ্নশানের প্রাচীরে বয়াপক ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সহায়ক ওয়াদুদ দৃষ্টিপাত কে জানান জুম্নার নামাজে আদায় করে মসজিদ হতে বের হওয়ার মূহুর্তে প্রচণ্ড ঝাকুনীতে অতঙ্কিত ও ভীতু সন্ত্রস্হ হয়ে পড়ি এ সময় আশপাশের বাসাবাড়ী হতে লোকজন সড়কে আশ্রয় গ্রহন ও আতঙ্কিত চেহারার দৃশ্য দেখি।আশাশুনির প্রতাপ নগররের আলমঙ্গীর জানান প্রতমে ভূমিকম্পের বিষয় বুঝতে পারিনি কম্পন কয়েক সেকেন্ড হলে অনুভব করি বড় ধরনের ভূমিকম্পের মধ্যে আছি তখন দোয়া দরুদ পাঠ করতে থাকি,দেবহাটার পারুলিয়ার একরামুল কবির বলেন দমবন্ধ হওয়ার পরিস্হির সৃষ্টিতে বারবার আল্লাহর নাম ডাকতে থাকি এবং অন্যদের ন্যায় পরিবারেরর সদস্যদের নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি।ভূমিকম্পের সময় শিশুরা বুঝতে না পারলে ও পিতা মাতা সহ বড়রা তাদের নিরাপদে নিলে এবং ভূমিকম্পের বিষয় ও বিপদের বিষয় আলোচনা করলে শিশুরা কাঁদতে থাকে, একাধিক পিতা মাতা দৃষ্টিপাত কে জানান শিশুরা দীর্ঘসময় যাবৎ কাঁদতে থাকে এবং পুনরায় ভূমিকম্পের আশাঙ্কায় ঘরে যেতে চাইছিল না।সব মিলে গতকালের দুফুর জেলার ২২ লক্ষ্যাধীক জনমানুষের জন্য এক আতঙ্ক ও ভীতির সময় অতিবাহিত হয়েছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস

ভূমিকম্পে কঁাপলো সাতক্ষীরাঃআতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জেলাময়ঃমহিলা ও শিশুদের কান্নাকাটিঃবহু স্হপনা ক্ষতিগ্রস্হ

আপডেট সময়: ০২:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাফায়েত হোসেন বাচ্চু ও লিটন ঘোষ বাপী।।স্বরণ কালের বড় ধরনের ভূমিকম্প মুখোমুখি হলো সাতক্ষীরার জনসমাজ গতকাল শুক্রবার দুপুর ১ টা ৫০ মিনিটে যখন জুম্নার নামাজ চলছিল আবার কোন কোন এলাকায় জুম্নার নামাজ চলছিল সেই সময়ে কেঁপে ওঠে ভূমি, কাঁপতে থাকে বাসা বাড়ী,মসজিদ সহ বিভিন্ন স্হাপনা,মূহুর্তের মধ্যে নিরাপদ স্হানে ছুটতে থাকে লোকজন।আমাদের সংবাদদাতারা জানান ভূমি কম্পের সময়ে সাতক্ষীরার কোন কোন মসজিদে জুম্নার নামাজ আদায় করছিল আবার কোন কোন মসজিদে নামাজ শেষে মেনাজাত চলছিল।আবহাওয়া দপ্তর জানায় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্হল সাতক্ষীরার আশাশুনি রিক্টারস্কলে ভূমিকম্পের মাএা ৫.৪ এবং ৩৫।সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ী হতে কান্নাকাটি করতে করতে বের হয় বিশেষ করে শিশু ও মহিলাদের আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছিল লক্ষনীয়।সাতক্ষীরায় ইতোপূর্বে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হলে ও এমন ভয়াবহতা কে স্পর্শ করেনি।কম্পনের পরিধি ও বিস্তৃত ২ সেকন্ড বা তার কমবেশি হলে ও কম্পন ছিল মারাত্নক।জেলার কোতাও হতাহতের ঘটনা না ঘটলে ও জেলা সদর সহ উপজেলাগুলোর বহুসংখ্যক ঘরবাড়ী,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্টান ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে।আশাশনি উপজেলার মধয় একসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে।পুকুরে গোসলত লোকজন পানি স্রোত প্রবাহ অনুভব করে ভয়ে গোসল বাদ দিয়ে ডাঙ্গায় উঠে পড়ে।মৎস্যঘের গুলোর পানি দ্যুততার সাথে ওঠানামা করতে থাকে।নির্মানাধীন বিল্ডিং ক্ষতি গ্রস্হ হয়েছে।দেবহাটার খেজুর বাড়ীয়া নুরুল হুদা বাড়ী সংলগ্ন মসজিদের জানালার কাচ ভেঙ্গে গেছে। ঈদগাহ বাজারেরর টাইল্স ও সেনিটারী প্রতিষ্ঠানের সামগ্রী ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।বাসাবাড়ীর জানালর কাচ সহ ফার্নিচারে রক্ষিত সামগ্রী তছনছ হয়েছে।তালা উপজেলার নগরঘাটার বাজেবাড়ীর ইসমাইল সরদারেরর টালীর ঘর ও গোয়াল ঘর ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে, সদর উপজেলার ঝাউসাঙ্গার মহা শ্নশানের প্রাচীরে বয়াপক ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সহায়ক ওয়াদুদ দৃষ্টিপাত কে জানান জুম্নার নামাজে আদায় করে মসজিদ হতে বের হওয়ার মূহুর্তে প্রচণ্ড ঝাকুনীতে অতঙ্কিত ও ভীতু সন্ত্রস্হ হয়ে পড়ি এ সময় আশপাশের বাসাবাড়ী হতে লোকজন সড়কে আশ্রয় গ্রহন ও আতঙ্কিত চেহারার দৃশ্য দেখি।আশাশুনির প্রতাপ নগররের আলমঙ্গীর জানান প্রতমে ভূমিকম্পের বিষয় বুঝতে পারিনি কম্পন কয়েক সেকেন্ড হলে অনুভব করি বড় ধরনের ভূমিকম্পের মধ্যে আছি তখন দোয়া দরুদ পাঠ করতে থাকি,দেবহাটার পারুলিয়ার একরামুল কবির বলেন দমবন্ধ হওয়ার পরিস্হির সৃষ্টিতে বারবার আল্লাহর নাম ডাকতে থাকি এবং অন্যদের ন্যায় পরিবারেরর সদস্যদের নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি।ভূমিকম্পের সময় শিশুরা বুঝতে না পারলে ও পিতা মাতা সহ বড়রা তাদের নিরাপদে নিলে এবং ভূমিকম্পের বিষয় ও বিপদের বিষয় আলোচনা করলে শিশুরা কাঁদতে থাকে, একাধিক পিতা মাতা দৃষ্টিপাত কে জানান শিশুরা দীর্ঘসময় যাবৎ কাঁদতে থাকে এবং পুনরায় ভূমিকম্পের আশাঙ্কায় ঘরে যেতে চাইছিল না।সব মিলে গতকালের দুফুর জেলার ২২ লক্ষ্যাধীক জনমানুষের জন্য এক আতঙ্ক ও ভীতির সময় অতিবাহিত হয়েছে।