আজ বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদরের দক্ষীন কাটিয়ার শিক্ষার্থীরা পেলো নতুন পোষাক ও খাতা দেবহাটায় ২১টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গা পূজা সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ কাণ্ড, অস্বচ্ছার আবরন,সর্বএ আলোচনা কুলিয়া কদমখালী পোল্ট্রিকাণ্ডে গ্রেফতার এক দেবহাটায় অবৈধ বালু উত্তলোন : ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,ড্রেজার মেশিন জব্দ জরুরী সাতক্ষীরা কলেজ শিক্ষকদের ভোটযুদ্ধে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের জয়ঃ সভাপতি খলিলুর রহমান,সম্পাদক নুর মোহাম্নদ পাড় দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক সাতক্ষীরায় ১৯০ জন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকর যোগদান ,উচ্ছ্বাসে,আনন্দে অভিষিক্ত তারা জাতীয় পর্যায়ে সাতক্ষীরার প্রাথমিকের সাফল্য,পুরষ্কৃত করলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

পনের দিনে মধ্যে খাল খনন শুরুঃ সাতক্ষীরার ৭১ খাল খননের আওতায় আনা জরুরি

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন, পুরাতন খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে ও মৎস্যে বিপ্লব আনায়ন করেছিলেন।পরবর্তি শাসনামলে খাল খনন বন্ধ হয় যে কারনে দেশের এগিয়ে চলা কৃষি পিছিয়ে পড়ে। সদয় শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএবপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল খাল খনন কর্মসূচির প্রবর্তন ঘটানো।প্রদানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে অগ্রাধিকারেরর ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচি শুরুর পদক্ষেপ গ্রহন করতে যাচ্ছে।খবরে প্রকাশ আগামী পনের দিনের মধ্যে খাল খনন শুরু করতে যাচ্ছে।সাতক্ষীরা দেশের কৃষির অপার সম্ভাবনার মহাক্ষেএ বিধায় এই জেলার খাল খনন বিশেষ জরুরি।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনদশায় তিনি সাতক্ষীরায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খাল খনন করে জেলার কৃষি উৎপাদন অনেক এগিয়ে নেন।৭১ টি কালের অস্তিত্ব বিদ্যমান এই জেলায়,জেলা বাসির প্রত্যাশা খাল খননের আওতায় সাতক্ষীরার খালগুলো খননের আনা সময়ের দাবি।ইতোপূর্বে সাতক্ষীরায় পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খাল খনন হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না কৃষক ও ঘের মালিকেরা। নদী ও খাল খননে সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং ঠিকাদারদের অনিয়ম-দুর্নীতিকে দুষছেন এলাকার মানুষ।অনিয়মে ও পরিকল্পনাহীনতায় খাল খননে সুফল অপেক্ষা অভিশাপে পড়েছে জেলাবাসি বেতনা, কাকশিয়ালি,পুটিমারি,কুলিয়া, সাপমারা,যমুনা,সোনাই, মরিচ্চাপ জিয়া খাল,নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এক দশকের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধতার কবলে সাতক্ষীরার জনসমাজ।জেলার খাল খননে যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে তা হলো পরিকল্পিত ভাবে খনন এবং অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত। এবং কৃষিতে উপকার হবে এমন খালগুলো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে খনন করতে হবে।সূএে প্রকাশ জেলার উল্লেখ যোগ্য সংখ্যকখাল এক শ্রেণির কতিত ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে দখলে এবং দূষনে অস্তিত্বহীনতায় যেয়ে পড়েছে।আবার বহু সংখ্যক খাল জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড করে সরকারেরর খাল মালিকানায় নিয়েছে ভূমি দস্যুরা।আবার এক শ্রেনির সরকারি দায়িক্তশীলদের যোগসাজসে খাল বন্দবস্ত দিয়ে কালের অস্তিত্ব নির্মুল করেছে।সাতক্ষীরার বিশ লক্ষাধ্যীক জনসমাজ অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন খাল খননের মাধ্যমে জেলার কৃষির ও মৎস্যের অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটবে।সাতক্ষীরা হবে শস্য ভাণ্ডার।অর্থনীতিতে বইবে সুবাতাস।একই সাথে খাল খনন হবে সব ধরনের অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত আবহে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

পনের দিনে মধ্যে খাল খনন শুরুঃ সাতক্ষীরার ৭১ খাল খননের আওতায় আনা জরুরি

আপডেট সময়: ০৩:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন, পুরাতন খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে ও মৎস্যে বিপ্লব আনায়ন করেছিলেন।পরবর্তি শাসনামলে খাল খনন বন্ধ হয় যে কারনে দেশের এগিয়ে চলা কৃষি পিছিয়ে পড়ে। সদয় শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএবপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল খাল খনন কর্মসূচির প্রবর্তন ঘটানো।প্রদানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে অগ্রাধিকারেরর ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচি শুরুর পদক্ষেপ গ্রহন করতে যাচ্ছে।খবরে প্রকাশ আগামী পনের দিনের মধ্যে খাল খনন শুরু করতে যাচ্ছে।সাতক্ষীরা দেশের কৃষির অপার সম্ভাবনার মহাক্ষেএ বিধায় এই জেলার খাল খনন বিশেষ জরুরি।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনদশায় তিনি সাতক্ষীরায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খাল খনন করে জেলার কৃষি উৎপাদন অনেক এগিয়ে নেন।৭১ টি কালের অস্তিত্ব বিদ্যমান এই জেলায়,জেলা বাসির প্রত্যাশা খাল খননের আওতায় সাতক্ষীরার খালগুলো খননের আনা সময়ের দাবি।ইতোপূর্বে সাতক্ষীরায় পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খাল খনন হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না কৃষক ও ঘের মালিকেরা। নদী ও খাল খননে সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং ঠিকাদারদের অনিয়ম-দুর্নীতিকে দুষছেন এলাকার মানুষ।অনিয়মে ও পরিকল্পনাহীনতায় খাল খননে সুফল অপেক্ষা অভিশাপে পড়েছে জেলাবাসি বেতনা, কাকশিয়ালি,পুটিমারি,কুলিয়া, সাপমারা,যমুনা,সোনাই, মরিচ্চাপ জিয়া খাল,নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এক দশকের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধতার কবলে সাতক্ষীরার জনসমাজ।জেলার খাল খননে যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে তা হলো পরিকল্পিত ভাবে খনন এবং অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত। এবং কৃষিতে উপকার হবে এমন খালগুলো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে খনন করতে হবে।সূএে প্রকাশ জেলার উল্লেখ যোগ্য সংখ্যকখাল এক শ্রেণির কতিত ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে দখলে এবং দূষনে অস্তিত্বহীনতায় যেয়ে পড়েছে।আবার বহু সংখ্যক খাল জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড করে সরকারেরর খাল মালিকানায় নিয়েছে ভূমি দস্যুরা।আবার এক শ্রেনির সরকারি দায়িক্তশীলদের যোগসাজসে খাল বন্দবস্ত দিয়ে কালের অস্তিত্ব নির্মুল করেছে।সাতক্ষীরার বিশ লক্ষাধ্যীক জনসমাজ অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন খাল খননের মাধ্যমে জেলার কৃষির ও মৎস্যের অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটবে।সাতক্ষীরা হবে শস্য ভাণ্ডার।অর্থনীতিতে বইবে সুবাতাস।একই সাথে খাল খনন হবে সব ধরনের অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত আবহে।