আজ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন:

।।।।।।।। সাবাশ বিএনপি।।।।।।।।।। গোলামীর জিঞ্জির নয়,তাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।বাংলাদেশের রাজনীতির কিংবদন্তী,গণতন্ত্রের মাতা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের স্বাধীনতা সার্বভোমত্বের প্রতি অবিচল আস্হা এবং দৃঢ়তাকে সঙ্গী করে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসকদের নতজানু পররাষ্ট্র নীতি, ভূরাজনীতি আর দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি সহ জনস্বার্থ পরিপন্থী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক এবং দেশপ্রেমের অঙ্গীকার করে বলেছিলেন”ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা”। দেশমাতার ঐতিহাসিক দেশ প্রেমের দৃঢ়তা দেশবাসি সেদিন প্রত্যক্ষএবং হৃহঙ্গন করেছিলেন,তিনি রাজনীতি আর দেশের স্বার্থের ক্ষেএে সামান্যতম আপোষ করেন নাই।দেশী বিদেশী চক্রান্তে বাংলাদেশের উন্নয়নের রুপকার,বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শহীদ হলে গৃহবধু হতে গনতন্ত্রন উদ্ধারের পরীক্ষীত আপোষহীন নেএী বেগম খালেদ জিয়াকে ১৯৯১ সালে এদেশের জনগণ দেশ পরিচালনার দায়িক্ত দেন।২০০১ সালে ও দেশের জনগন পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন করেন উন্নয়নের প্রতিক বেগম খালেদা জিয়াকে।তারপরের ইতিহাস অজানা নয়,সেনা সমর্থিত সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে গোলামীর জিঞ্জিরের আবদ্ধতার রাহুগ্রাসে সম্পৃক্ত হয় দেশের সরকার।ক্রমান্বয়ে ভোটাধিকার হরন সহ গণতন্ত্র নির্বাসন পরবর্তী প্রতিষ্ঠিত হয় গুম,খুন,জেল জুলুমের অধ্যায়।২০২৪ সালে ছাএ জনতার বিপ্লব আর অভ্যুথ্যানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন হয়।সামনে আসে গনতন্ত্রের সোপান নির্বাচন। অন্তবর্তীকালীন সরকার দ্রুততম সময়ে নির্বাচন দেবেন এমন দাবী জানিয়ে আসে বিএনপি, অন্যদিকে অভ্যুন্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর অংশ বিশেষ নির্বাচন বিষয়ে বিএনপির সাথে একমত হতে বিরত থাকে।সময়ের ব্যবধানে কোন কোন সময়ে অভ্যুন্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মাঝে বিরোধ বিবাজন দেখা দেয়। অবশেষে কাঙ্খিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা হয় এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ২১৪ আসনে জয় নিয়ে একক ভাবে সরকার গঠনের পথে।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার স্নৃতি বিজড়িত বিএন পি পঞ্চম বারেরর মত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যেতে চলেছে, এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, এই মুহূর্তে আগামীর সরকার প্রধান তারেক রহমান ও বিএনপির প্রতি দেশের সতের কোটি মানুষের প্রত্যাশা প্রয়াত দেশ মাতার উচ্চারন” ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির,আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা “এই মহাবাক্য অটুট থাকবে।বিএনপি বারবার প্রমান করেছে দেশের স্বার্থ সবার উপর। জনগন ই সকল ক্ষমতার উৎস্য যেমন বিএনপি ধারন করেছে অনুরুপ বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে প্রভূ নেই এমন ও প্রশংসিত পদক্ষেপ বিএনপি কে সমৃদ্ধ করেছে।আগামীর দিনগুলো দেশবাসি দেশ পরিচালনায় তেমন ই দেখতে চায়।এদেশের জনগন যে সমর্থন জানিয়েছে সেই সমর্থন ই বিএনপির শক্তি। এই শক্তি অটুট থাকুক আর তখন ই অটুট থাকবে যখন দেশবাসির চাওয়া পাওয়া শহীদ জিয়া ও দেশ মাতা খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটবে।ভূমিঢস বিজয়ে বিএপি বাহবা পাচ্ছে, সাবাশ বলে তৃপ্তি ও স্বসৃতি পাচ্ছে দেশবাসি ও ভোটার রা সেই সাথে ভোটের পূর্বে আগামীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে ভোটাররা যেমন দেখেছিলেন বা দেখতে চেয়েছেন আগামী দিনগুলোতে তেমন ই দেখতে চান।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ জিয়ার স্নৃতি বিজড়িত দেবহাটার দশ ফুট খাল পুনঃখনন

।।।।।।।। সাবাশ বিএনপি।।।।।।।।।। গোলামীর জিঞ্জির নয়,তাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা

আপডেট সময়: ০৩:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।বাংলাদেশের রাজনীতির কিংবদন্তী,গণতন্ত্রের মাতা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের স্বাধীনতা সার্বভোমত্বের প্রতি অবিচল আস্হা এবং দৃঢ়তাকে সঙ্গী করে, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসকদের নতজানু পররাষ্ট্র নীতি, ভূরাজনীতি আর দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি সহ জনস্বার্থ পরিপন্থী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক এবং দেশপ্রেমের অঙ্গীকার করে বলেছিলেন”ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা”। দেশমাতার ঐতিহাসিক দেশ প্রেমের দৃঢ়তা দেশবাসি সেদিন প্রত্যক্ষএবং হৃহঙ্গন করেছিলেন,তিনি রাজনীতি আর দেশের স্বার্থের ক্ষেএে সামান্যতম আপোষ করেন নাই।দেশী বিদেশী চক্রান্তে বাংলাদেশের উন্নয়নের রুপকার,বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শহীদ হলে গৃহবধু হতে গনতন্ত্রন উদ্ধারের পরীক্ষীত আপোষহীন নেএী বেগম খালেদ জিয়াকে ১৯৯১ সালে এদেশের জনগণ দেশ পরিচালনার দায়িক্ত দেন।২০০১ সালে ও দেশের জনগন পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন করেন উন্নয়নের প্রতিক বেগম খালেদা জিয়াকে।তারপরের ইতিহাস অজানা নয়,সেনা সমর্থিত সরকারের সাথে হাত মিলিয়ে গোলামীর জিঞ্জিরের আবদ্ধতার রাহুগ্রাসে সম্পৃক্ত হয় দেশের সরকার।ক্রমান্বয়ে ভোটাধিকার হরন সহ গণতন্ত্র নির্বাসন পরবর্তী প্রতিষ্ঠিত হয় গুম,খুন,জেল জুলুমের অধ্যায়।২০২৪ সালে ছাএ জনতার বিপ্লব আর অভ্যুথ্যানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন হয়।সামনে আসে গনতন্ত্রের সোপান নির্বাচন। অন্তবর্তীকালীন সরকার দ্রুততম সময়ে নির্বাচন দেবেন এমন দাবী জানিয়ে আসে বিএনপি, অন্যদিকে অভ্যুন্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর অংশ বিশেষ নির্বাচন বিষয়ে বিএনপির সাথে একমত হতে বিরত থাকে।সময়ের ব্যবধানে কোন কোন সময়ে অভ্যুন্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর মাঝে বিরোধ বিবাজন দেখা দেয়। অবশেষে কাঙ্খিত এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা হয় এবং গত ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে ২১৪ আসনে জয় নিয়ে একক ভাবে সরকার গঠনের পথে।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার স্নৃতি বিজড়িত বিএন পি পঞ্চম বারেরর মত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যেতে চলেছে, এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, এই মুহূর্তে আগামীর সরকার প্রধান তারেক রহমান ও বিএনপির প্রতি দেশের সতের কোটি মানুষের প্রত্যাশা প্রয়াত দেশ মাতার উচ্চারন” ওদের হাতে গোলামীর জিঞ্জির,আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা “এই মহাবাক্য অটুট থাকবে।বিএনপি বারবার প্রমান করেছে দেশের স্বার্থ সবার উপর। জনগন ই সকল ক্ষমতার উৎস্য যেমন বিএনপি ধারন করেছে অনুরুপ বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে প্রভূ নেই এমন ও প্রশংসিত পদক্ষেপ বিএনপি কে সমৃদ্ধ করেছে।আগামীর দিনগুলো দেশবাসি দেশ পরিচালনায় তেমন ই দেখতে চায়।এদেশের জনগন যে সমর্থন জানিয়েছে সেই সমর্থন ই বিএনপির শক্তি। এই শক্তি অটুট থাকুক আর তখন ই অটুট থাকবে যখন দেশবাসির চাওয়া পাওয়া শহীদ জিয়া ও দেশ মাতা খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটবে।ভূমিঢস বিজয়ে বিএপি বাহবা পাচ্ছে, সাবাশ বলে তৃপ্তি ও স্বসৃতি পাচ্ছে দেশবাসি ও ভোটার রা সেই সাথে ভোটের পূর্বে আগামীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কে ভোটাররা যেমন দেখেছিলেন বা দেখতে চেয়েছেন আগামী দিনগুলোতে তেমন ই দেখতে চান।