লিটন ঘোষ বাপী।।মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী যোদ্ধা,৭১ এর রনাঙ্গনের শত সহস্র বীরমুক্তিযোদ্ধার পাথেয় সাতক্ষীরার দেবহাটার পারুলিয়ার কৃতি সন্তান জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের নির্বাচিত সাবেক কমান্ডার, বাদশাহী বার্তার প্রতিনিধি বিএনপি নেতা সাফায়েত হোসেন বাচ্চুর ভ্রাতা মোশাররফ হোসেন মশু চলে গেলেন।আজ বিকালে পারুলিয়া ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে পারিবারীক গোরস্হানে বীরযোদ্ধা কে দাফন করা হয়।এর পূর্বে সাতক্ষীরা শহরে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা এই বীরমুক্তিযোদ্ধা খুলনা আজম খান কমার্স কলেজে অধ্যায়নরত থাকা অবস্হায় মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।গতকাল প্রত্যুশে সাতক্ষীরা শহরস্হ বাসভবনে ফজরের নামাজ আদায় করার পূর্বে উজু করা কালীন সময়ে তিনি হৃদযন্ত্রে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যু বরন করেন।এলাকাবাসির অতি প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর খবর মূহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি স্বাধীন বাংলাদেশে ভারতীয় অধিপত্যবাদ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে মেজর জলিলের সহযোগী হিসেবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রথম সারির প্রতিবাদী ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মোশাররফ হেসেন মশু। তিনি রক্ষী বাহিনীর নির্মম নির্নযাতনের ক্ষত বিক্ষত হয়েছিলেন। রণাঙ্গনের এই যোদ্ধা দেবহাটার সীমানা পেরিয়ে, কালিগঞ্জ,সাতক্ষীরা শহর,আশাশুনি,পাইকগাছা সহ বৃহত্তর খুলনার যুদ্ধ ময়দানে বীরত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন।সাতক্ষীরা পাওয়ার হাউজ, ট্রেজারী অভিযানএবং কুলিয়া, পারুলিয়ায় পাকহানাদারের বিরুদ্ধে তার বীরত্ব ও সাহস আজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে মুখে ফেরে। বীরমুক্তিযোদ্ধার কফিন পারুলিয়ায় পৌছালে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার নেতৃত্বে দেবহাটা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে বিকাল দ্বিতীয় জানাজা পারুলিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজায় বক্তব্য রাখেন ইমামতি করেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস হাফেজ রবিউল বাসার। বিপুল সংখ্যক বীরমুক্তিযোদ্ধা সহ ব্যাপক মানুষের উপস্হিতিতে জানাজায় প্রিয় মনুষটির রুহের মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল বারী মোল্যা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মাবুদ গাজী, দেবহাটা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, জামায়াতের দেবহাটা উপজেলা আমীর মাও অলিউল ইসলাম, প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধার পুত্র বিপুল। দেবহাটা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী মোল্ল্যা ও যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল মাবুদ গাজী প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন মশুর স্নৃতি চারন করে বলেন যখনই কোন মুক্তিযোদ্ধার সমস্যার বিষয়ে জানতেন তখন ই তিনি ছুটে আসতেন। এলাকা বাসি তাকে মিয়াভাই হিসেবে সম্বধোন করতেন। তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। মরহুমের চাচাত ভাই বিশিষ্ঠ ব্যাংকার ও ঢাকাস্হ দেবহাটা সমিতির সম্পাদক তাহাজ্জত হোসেন হিরু বলেন, কেবল আমরা পারিবারীক ভাবে নই এলাকা বাসি ও তাদের অভিভাবক খ্যাত সন্তান কে হারালো। জানাজায় ও দাফন কার্যে অংশ নেওয়াএবং শোক সপ্তক পরিবারেরর প্রতি সমবেদনা জানানো সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতঙ্গতা প্রকাশ করেছেন মরহুমের সহদর বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন,সাফায়েত হোসেন বাচ্চু, পুএ বিপুল ও আশিক। বাদশাহী বার্তা পরিবারের শোক।।।।। মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, পারুলিয়ার কৃতি সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধা, বাদশাহী বার্তার প্রতিনিধি সাফায়েত হোসেন বাচৃচুর সহদর মোশাররফ হোসেন মশুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সপ্তক পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাদশাহী বার্তার প্রকাশক মহিউদ্দীন সিদ্দিকী,সম্পাদক বায়েজিদ বোস্তামী উজ্বল,জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি সুমন বাবু, লিটন ঘোষ বাপী,শহিদুল মাষ্টার,হাফিজুল ইসলাম,উত্তম কুমার রায়,সব্দুস সবুর,আশরাফুল ইসলাম,আব্দুল্লাহ আল মামুন,রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
সংবাদ শিরোনাম:
চলে গেলেন মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী মোশাররফ হোসেন মশু
-
রিপোর্টার - আপডেট সময়: ০৩:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
- ৫০৪ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ













