আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
পারুলিয়া এস,এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বোর্ড বৃত্তি অর্জন দেবহাটার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন দেবহাটা উপজেলায় স্ববল প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও গাছের চারা বিতরণ। সিলেট বরিশালের বাজারে ব্যাপক চাহিদা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির পারুলিয়া বাজারে সচেতনতা মূলক সভা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীদের সংগঠন দরদির নতুন কমিটি গঠন, সদস্যদের আলো ছড়ানো উপস্হিতি দেবহাটা সীমান্তের ইছামতীতে বিজয়া দশমীতে উপচে পড়া ভিড়,দুই পারের জনমানুষের আবেগ অনুভূতির সম্নিলন,প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে স্ব স্ব সীমানায়,সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল নিছিদ্র দেবহাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মুকুলের মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু দেবহাটার পারুলিয়ার সন্তান কামরুজ্জামান রিপন হলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মহা অষ্টমীতেক কুমারী রূপে দেবী দুর্গার বন্দনা : আজ মহানবমী,মণ্ডবে মণ্ডবে ঁবাজবে বিদায়ের সুর

আবার ও শৈত প্রবাহের আভাস ? শিশু ও বৃদ্ধ দের শীত জনিত রোগ বাড়ছে

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।গত দুইদিন আগে ও শীতের তীব্রতা ছিল অসহনীয়।গতকাল হতে শীতের প্রভাব কিছুটা হ্রাস পেলে ও আবহাওয়া দপ্তর সু সংবাদের পরিবর্তে সহসা আবার ও শৈত প্রবাহের আভাস দিচ্ছে।শীতের এই সময় গুলোতে শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে ব্যাপক হারে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। দেশের অপরাপর এলাকার ন্যায় সাতক্ষীরাতে ও দেখা দিয়েছে শীত জনিত রোগ বালাই।শহরেরর সদর হাসপাতাল,মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ উপজেলা ভিত্অতিক হাসপাতাল গুলোতে নানান দরনের শীতজনিত রোগে আক্রান্আতরা চিকিৎসা নিতে আসছে। শীতের দিনগুলোতে মৎস্য নির্ভর সাতক্ষীরার চিংড়ী ঘেরগুলো ছেচামারার কাজে চরম বিরক্ত হচ্ছে। হাসপাতাল গুলোতে খোজ নিয়ে জানা গেছে, সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, টনসিলাইটিস, ব্রঙ্কিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস, অ্যাজমা, চর্মরোগ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু থেকে বয়স্ক মানুষেরা চিকিৎসা নিতে আসছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। এই মুহুর্তে শীত প্রতিরোধী পোষাক পরিধানই সর্বত্তম পন্থা এমন টি মন্তব্য করেছেন চিকিৎসরা।শীতকালীন রোগ চিকিৎসায় বিশেষঙ্গ চিকিৎসকরা জানান,বয়স্ক ও শিশুদের শীতে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। শিশুদের শীতের পোশাক পরিধান করাতে হবে। সামান্য অবহেলার কারণে শিশুদের মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, গ্রামাঞ্চলে অনেকে শীতের জন্য গোসল করে না। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকে। এসব কারণে এ রোগের সংক্রমণ বেশি হয়
শীতকালে বয়স্ক লোকদের এজমা, গলায় ব্যর্থ, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, টনসিল ও গিরায় গিরায় ব্যথা হয়। শীতে বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো। জরুরি প্রয়োজন হলে শিশুদের শীত নিবারণের কাপড় পড়ে বাইরে যাওয়া উচিত। শীতজনিত রোগে বেশি শারীরিক অসুস্থ বাড়তে থাকলে শিশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে দূরে রাখতে হবে। গরমের কাপড় পরিধান করাতে হবে। বিশুদ্ধ পানি খেতে হবে। নাক দিয়ে পানি আসলে নরমাল স্যালাইন দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিহিস্টামিন ও এন্টিবায়োটিক না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শ্বাসকষ্ট হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াতে হবে।সর্দি-কাশি, এজমায় আক্রান্ত হচ্ছে অনেক শিশু। শীত বাড়লে এই রোগ আরও বাড়বে। শিশুদের গরম কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে। সাধারণ সর্দি-কাশিতে যত্নবান না হলে জটিলতা বাড়তে পারে। সাতক্ষীরার বিশিষ্ট্য হোমিও চিকিৎসক শাহ আলম বলেন, শীতের দিনগুলোতে যে বিষয়ে বেশী সচেতন থাকতে হবে তা হলো কোন অবস্হাতেই শরীরে ঠান্ডা লাগতে দেওয়া যাবে না।কুসুম গরম পানি পান ও গোসলে ব্যবহার করতে হবে।বিশেষ করে শীতের প্রকোপ হতে শিশু ও বয়স্কদের রক্ষা করতে হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

পারুলিয়া এস,এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বোর্ড বৃত্তি অর্জন

আবার ও শৈত প্রবাহের আভাস ? শিশু ও বৃদ্ধ দের শীত জনিত রোগ বাড়ছে

আপডেট সময়: ০৪:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।গত দুইদিন আগে ও শীতের তীব্রতা ছিল অসহনীয়।গতকাল হতে শীতের প্রভাব কিছুটা হ্রাস পেলে ও আবহাওয়া দপ্তর সু সংবাদের পরিবর্তে সহসা আবার ও শৈত প্রবাহের আভাস দিচ্ছে।শীতের এই সময় গুলোতে শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে ব্যাপক হারে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। দেশের অপরাপর এলাকার ন্যায় সাতক্ষীরাতে ও দেখা দিয়েছে শীত জনিত রোগ বালাই।শহরেরর সদর হাসপাতাল,মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ উপজেলা ভিত্অতিক হাসপাতাল গুলোতে নানান দরনের শীতজনিত রোগে আক্রান্আতরা চিকিৎসা নিতে আসছে। শীতের দিনগুলোতে মৎস্য নির্ভর সাতক্ষীরার চিংড়ী ঘেরগুলো ছেচামারার কাজে চরম বিরক্ত হচ্ছে। হাসপাতাল গুলোতে খোজ নিয়ে জানা গেছে, সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, টনসিলাইটিস, ব্রঙ্কিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস, অ্যাজমা, চর্মরোগ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু থেকে বয়স্ক মানুষেরা চিকিৎসা নিতে আসছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। এই মুহুর্তে শীত প্রতিরোধী পোষাক পরিধানই সর্বত্তম পন্থা এমন টি মন্তব্য করেছেন চিকিৎসরা।শীতকালীন রোগ চিকিৎসায় বিশেষঙ্গ চিকিৎসকরা জানান,বয়স্ক ও শিশুদের শীতে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। শিশুদের শীতের পোশাক পরিধান করাতে হবে। সামান্য অবহেলার কারণে শিশুদের মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, গ্রামাঞ্চলে অনেকে শীতের জন্য গোসল করে না। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকে। এসব কারণে এ রোগের সংক্রমণ বেশি হয়
শীতকালে বয়স্ক লোকদের এজমা, গলায় ব্যর্থ, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, টনসিল ও গিরায় গিরায় ব্যথা হয়। শীতে বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো। জরুরি প্রয়োজন হলে শিশুদের শীত নিবারণের কাপড় পড়ে বাইরে যাওয়া উচিত। শীতজনিত রোগে বেশি শারীরিক অসুস্থ বাড়তে থাকলে শিশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুদের ঠাণ্ডা থেকে দূরে রাখতে হবে। গরমের কাপড় পরিধান করাতে হবে। বিশুদ্ধ পানি খেতে হবে। নাক দিয়ে পানি আসলে নরমাল স্যালাইন দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিহিস্টামিন ও এন্টিবায়োটিক না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শ্বাসকষ্ট হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াতে হবে।সর্দি-কাশি, এজমায় আক্রান্ত হচ্ছে অনেক শিশু। শীত বাড়লে এই রোগ আরও বাড়বে। শিশুদের গরম কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে। সাধারণ সর্দি-কাশিতে যত্নবান না হলে জটিলতা বাড়তে পারে। সাতক্ষীরার বিশিষ্ট্য হোমিও চিকিৎসক শাহ আলম বলেন, শীতের দিনগুলোতে যে বিষয়ে বেশী সচেতন থাকতে হবে তা হলো কোন অবস্হাতেই শরীরে ঠান্ডা লাগতে দেওয়া যাবে না।কুসুম গরম পানি পান ও গোসলে ব্যবহার করতে হবে।বিশেষ করে শীতের প্রকোপ হতে শিশু ও বয়স্কদের রক্ষা করতে হবে।