আজ শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
দেবহাটায় কমিউনিটি পুলিশিং কাপ কাবাডি প্রতিযোগীতার বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত দেবহাটার কোমপুরে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজঃ নিজে রোপন করলেন বৃক্ষ কুলিয়ায় বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধেসচেতনতামূলক সভা দেবহাটা উপজেলা পানি কমিটির ত্রৈমাসিক সভা  নিষিদ্ধ ঘোষিত দেবহাটা আ’ লীগ সভাপতি মুজিবর রহমান কারাগারে কুলিয়ায় ‘সবুজ ও সহনশীল ইকো ভিলেজ’ ঘোষিত পারুলিয়ার খেজুবাড়ীয়ায় দুঃসাহসিক চুরি দেবহাটায় বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে লোকে লোকারণ্যঃ উচ্ছ্বাসিত নেতা,কর্মি সমর্থকরা দেবহাটায় ‘দ্য এডিটরস’র ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভা প্রয়াত দৃষ্টিপাত সম্পাদক স্বরনে দেবহাটা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নাগরিক শোক সভায় বক্তারা জি এম নূর ইসলাম ছিলেন সাংবাদিকতার রাখাল রাজা, তিনি ছিলেন সাতক্ষীরার সম্পদ,সৃষ্টিশীলতার কিংবদন্তী

ইছামতি,কালিন্দী ভেঙ্গেই চলেছে,হারিয়ে গেছে রাজনগর মৌজা, দেশ হারাচ্ছে ভূখণ্ড,পরিবর্তন হচ্ছ মানচিএ,ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজন মেগা প্রকল্প

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।বাংলাদেশ ভারত বিভক্তকরন ইছামতি আর কালিন্দী নদীর ভাঙ্গন থেমে নেই।বছরের পর বছর, মাসের পর মাস ভেঙ্গেই চলেছে ইতিহাস ঐতিয্যের ধারক ইছামতি ও কালিন্দী।একদা ভাঙ্গন কবলিত এই দুই নদী ছিল আর্শীবাদের বরপুএ কিন্তুু সময়ের বিবর্তনে তারা আজ অভিশাপে পরিনত।বছরের পর বছর ফসলি জমি,সরকারি বেসরকারি স্হাপনা,খেলার মাঠ, বসত বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।বাংলাদেশ অংশ ভেঙ্গে চলেছে পরিবর্তে ভারতের অংশ গড়ছে। প্রতিনিয়ত ভাঙ্গনের কারনে বাংলাদেশ ভূখণ্ড হারাচ্ছে, পরিবর্তন পরিবর্ধন হচ্ছে আমাদের মানচিএ। ইতোমধ্যে ইছামতি তীরের দেবহাটার রাজনগর মৌজা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।রাজনগর মৌজা এখন ইতিহাস।বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারনে সরকার সীমান্ত সুরক্ষায় যেমন গুরুত্ব দেইনি অনুরুপ নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহন করেনি।বছর বছর ভাঙ্গন হলে তা রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হলে ও তা যেমন পর্যাপ্ত ছিল না আবার অনিয়ম ও দূর্ণীতিতে ছিল পূর্ণ।সাতক্ষীরার সদর উপজেলার হাওড়দাহ,দেবহাটার ভাৎশালা,কোমরপুর,টাউনশ্রীপুর,চরশ্রীপুর,সুশিলগাতী, বসন্তপুর, কালিগঞ্জের খানজিয়া ও শ্যামনগরের অগনিত গ্রাম ভেঙ্গেই চলেছে।সাতক্ষীরার বিশ লক্ষ্যাধীক জনমানুষের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর প্রত্যাশা ইছামতি,কালিন্দী সহ ভাঙ্গন কবলিত অপরাপর নদী গুলোর ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা। বাংলাদেশ অংশ ভাঙ্গনের কবলে অন্য দিকে ভারতের অংশ গড়ছে, আর এর ধারাবাহীকতায় বাংলাদেশ তার ভূখন্ড হারাবে, বর্তমান দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রীক সরকার নিশ্চই বিষয় টি গুরুত্বের সাথে দেখবেন। অতীত ইতিহাসের জ্বলন্ত স্বাক্ষী একদা ইছামতি নদীতে পাল তোলা নৌকা আর পণ্য ভর্তি জাহাজ চলতো কিন্তু আজ সবই স্নৃতি।প্রতি বছরের পরিবর্তে স্হায়ী ভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে দীর্ঘ মেয়াদী বা মেগা প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে ইছাৃতি ও কালিন্দীর ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।আর তা এখন ই সময়।সাম্প্রতিক সময়গুলোতে ইছামতি ও কালিন্দী নদীতে মৎস্য আহরন কারা প্রবণতা বিশেষ ভাবে লক্ষনীয়, সীমান্ত পারেরর শ্রমজীবী মানুষের এক উল্লেখ যোগ্য অংশ মাছের রেনু সহ বড় মাছ শিকার করে নদীর তীর ঘেসে চলাচল নদী ভাঙ্গনের কারন হিসেবে বলছেন অনেকে।ইছামতি ভাঙ্গন রোধে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন পরবর্তি নদী তীরবর্তি এলাকায় বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে পরবর্তি নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটায় কমিউনিটি পুলিশিং কাপ কাবাডি প্রতিযোগীতার বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত

ইছামতি,কালিন্দী ভেঙ্গেই চলেছে,হারিয়ে গেছে রাজনগর মৌজা, দেশ হারাচ্ছে ভূখণ্ড,পরিবর্তন হচ্ছ মানচিএ,ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজন মেগা প্রকল্প

আপডেট সময়: ০৫:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।বাংলাদেশ ভারত বিভক্তকরন ইছামতি আর কালিন্দী নদীর ভাঙ্গন থেমে নেই।বছরের পর বছর, মাসের পর মাস ভেঙ্গেই চলেছে ইতিহাস ঐতিয্যের ধারক ইছামতি ও কালিন্দী।একদা ভাঙ্গন কবলিত এই দুই নদী ছিল আর্শীবাদের বরপুএ কিন্তুু সময়ের বিবর্তনে তারা আজ অভিশাপে পরিনত।বছরের পর বছর ফসলি জমি,সরকারি বেসরকারি স্হাপনা,খেলার মাঠ, বসত বাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।বাংলাদেশ অংশ ভেঙ্গে চলেছে পরিবর্তে ভারতের অংশ গড়ছে। প্রতিনিয়ত ভাঙ্গনের কারনে বাংলাদেশ ভূখণ্ড হারাচ্ছে, পরিবর্তন পরিবর্ধন হচ্ছে আমাদের মানচিএ। ইতোমধ্যে ইছামতি তীরের দেবহাটার রাজনগর মৌজা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।রাজনগর মৌজা এখন ইতিহাস।বিগত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারনে সরকার সীমান্ত সুরক্ষায় যেমন গুরুত্ব দেইনি অনুরুপ নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহন করেনি।বছর বছর ভাঙ্গন হলে তা রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হলে ও তা যেমন পর্যাপ্ত ছিল না আবার অনিয়ম ও দূর্ণীতিতে ছিল পূর্ণ।সাতক্ষীরার সদর উপজেলার হাওড়দাহ,দেবহাটার ভাৎশালা,কোমরপুর,টাউনশ্রীপুর,চরশ্রীপুর,সুশিলগাতী, বসন্তপুর, কালিগঞ্জের খানজিয়া ও শ্যামনগরের অগনিত গ্রাম ভেঙ্গেই চলেছে।সাতক্ষীরার বিশ লক্ষ্যাধীক জনমানুষের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর প্রত্যাশা ইছামতি,কালিন্দী সহ ভাঙ্গন কবলিত অপরাপর নদী গুলোর ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা। বাংলাদেশ অংশ ভাঙ্গনের কবলে অন্য দিকে ভারতের অংশ গড়ছে, আর এর ধারাবাহীকতায় বাংলাদেশ তার ভূখন্ড হারাবে, বর্তমান দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রীক সরকার নিশ্চই বিষয় টি গুরুত্বের সাথে দেখবেন। অতীত ইতিহাসের জ্বলন্ত স্বাক্ষী একদা ইছামতি নদীতে পাল তোলা নৌকা আর পণ্য ভর্তি জাহাজ চলতো কিন্তু আজ সবই স্নৃতি।প্রতি বছরের পরিবর্তে স্হায়ী ভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে দীর্ঘ মেয়াদী বা মেগা প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে ইছাৃতি ও কালিন্দীর ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।আর তা এখন ই সময়।সাম্প্রতিক সময়গুলোতে ইছামতি ও কালিন্দী নদীতে মৎস্য আহরন কারা প্রবণতা বিশেষ ভাবে লক্ষনীয়, সীমান্ত পারেরর শ্রমজীবী মানুষের এক উল্লেখ যোগ্য অংশ মাছের রেনু সহ বড় মাছ শিকার করে নদীর তীর ঘেসে চলাচল নদী ভাঙ্গনের কারন হিসেবে বলছেন অনেকে।ইছামতি ভাঙ্গন রোধে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন পরবর্তি নদী তীরবর্তি এলাকায় বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে পরবর্তি নদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।