আজ বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদরের দক্ষীন কাটিয়ার শিক্ষার্থীরা পেলো নতুন পোষাক ও খাতা দেবহাটায় ২১টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গা পূজা সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগ কাণ্ড, অস্বচ্ছার আবরন,সর্বএ আলোচনা কুলিয়া কদমখালী পোল্ট্রিকাণ্ডে গ্রেফতার এক দেবহাটায় অবৈধ বালু উত্তলোন : ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,ড্রেজার মেশিন জব্দ জরুরী সাতক্ষীরা কলেজ শিক্ষকদের ভোটযুদ্ধে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের জয়ঃ সভাপতি খলিলুর রহমান,সম্পাদক নুর মোহাম্নদ পাড় দেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক সাতক্ষীরায় ১৯০ জন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকর যোগদান ,উচ্ছ্বাসে,আনন্দে অভিষিক্ত তারা জাতীয় পর্যায়ে সাতক্ষীরার প্রাথমিকের সাফল্য,পুরষ্কৃত করলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

নিজেকে কারাগারে পাঠাতে ইউএনওর কাছে আবেদন, ৫ মাসের কারাদণ্ড

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০২:০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

বাদশাহী বার্তা ডেস্ক।।। মাদকের নেশা ছাড়তে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন মাদকাসক্ত এক ব্যক্তি। টানা তিন দিন ইউএনও কার্যালয়ে ঘোরাঘুরির পর শেষ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বুধবার (১ জুলাই) বিকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম (৫০) গোদাগাড়ী উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। এর আগে মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে ছয় মাস কারাভোগ করলেও নেশা ছাড়তে পারেননি।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন। গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, জহুরুল ইসলাম নিজ থেকেই ইউএনও কার্যালয়ে এসে জানান, তিনি আর মাদক সেবন করতে চান না। কিন্তু কোনোভাবেই নেশা ছাড়তে পারছেন না। তাই তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ করেন। তিনি সত্যিই সংশোধন হতে চান কিনা, তা যাচাই করতে প্রথম দিন তাকে পরদিন আসতে বলা হয়। পরদিনও তিনি একই আবেদন নিয়ে উপস্থিত হন। সেদিনও তাকে ফেরত পাঠানো হয়। বুধবার তৃতীয় দিনের মতো তিনি আবার ইউএনও কার্যালয়ে এসে একই আবেদন জানান।
এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ১৬ নম্বর ক্রমিকের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, শুধু জহুরুল ইসলাম নন, বুধবার তার সঙ্গে পরিবারের একজন সদস্যও এসেছিলেন। তারা দুজনই অনুরোধ করেন, জহুরুল ইসলাম যেন কারাগারে গিয়ে নেশা থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
 

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নিজেকে কারাগারে পাঠাতে ইউএনওর কাছে আবেদন, ৫ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট সময়: ০২:০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বাদশাহী বার্তা ডেস্ক।।। মাদকের নেশা ছাড়তে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন মাদকাসক্ত এক ব্যক্তি। টানা তিন দিন ইউএনও কার্যালয়ে ঘোরাঘুরির পর শেষ পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বুধবার (১ জুলাই) বিকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম (৫০) গোদাগাড়ী উপজেলার জাহানাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। এর আগে মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে ছয় মাস কারাভোগ করলেও নেশা ছাড়তে পারেননি।
গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন। গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, জহুরুল ইসলাম নিজ থেকেই ইউএনও কার্যালয়ে এসে জানান, তিনি আর মাদক সেবন করতে চান না। কিন্তু কোনোভাবেই নেশা ছাড়তে পারছেন না। তাই তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর অনুরোধ করেন। তিনি সত্যিই সংশোধন হতে চান কিনা, তা যাচাই করতে প্রথম দিন তাকে পরদিন আসতে বলা হয়। পরদিনও তিনি একই আবেদন নিয়ে উপস্থিত হন। সেদিনও তাকে ফেরত পাঠানো হয়। বুধবার তৃতীয় দিনের মতো তিনি আবার ইউএনও কার্যালয়ে এসে একই আবেদন জানান।
এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ১৬ নম্বর ক্রমিকের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থ অনাদায়ে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, শুধু জহুরুল ইসলাম নন, বুধবার তার সঙ্গে পরিবারের একজন সদস্যও এসেছিলেন। তারা দুজনই অনুরোধ করেন, জহুরুল ইসলাম যেন কারাগারে গিয়ে নেশা থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী দণ্ড প্রদান করা হয়েছে।