বাদশাহী বার্তা।। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাসিক সভা চলাকালে সরকারি কর্মকর্তার সাথে এক চেয়াম্যানের অনাকাঙ্খিত ও আক্রমাত্নক আচরনের ঘটনায় সভাস্হল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং হট্রগোলের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সদর উপজেলার মাসিক সভা চলাকালে।আর এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। একাধীক সূএ জানায় আগরঁদাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবিরুল ইসলাম মিলন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার শরিফুল ইসলামের সাথে আক্রমাত্নক আচরন করলে, সমবায় অফিসার মূর্শীদ আলম সহ অপরাপর অফিসাররা ভদ্র ও নম্র ভাষায় প্রতিবাদ জানালে চেয়ারম্যান অধিকতর অনাকাঙ্খিত ভাষা ব্যবহার করতে থাকে যার ফলশ্রুতিতে এক পর্যায়ে সভাস্হল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। চেয়ারম্যান কুরুচি পূর্ণ শব্দ উচ্চারন করলে সভার সভাপতি সহকারী কমিশনার ভূমি বিরক্তি প্রকাশ করেন এবং ভাষা প্রয়োগে সতর্ক হওয়ার আহবান জানান। সমাজ সেবা অফিসার শরিফুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,সরকাররি ভাতা ভোগীদের তালিকা প্রনয়নের লক্ষে আবেদন আহবান করা হয়েছে, চেয়ারম্যান এ সময় বলেন, বারবার কেন আবেদন করতে হবে,আমি বারবার বলি সরকারী সিন্ধান্ত এবং নীতিমালর বাইরে কথা বলার সুযোগ নেই। বিধায় আবেদনের বিকল্প নেই। এ সময় তিনি বলেন, সামান্য টাকার জন্য কেন বারবার আবেদন করতে হবে?তারপরের ঘটনায় আমি বিরক্ত,বিব্রত এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।সমবায় অফিসার মূর্শীদ আলম বলেন সমাজসেবা অফিসার শরিফুল ইসলামের উপর মারমুখি আচরনে আমরা উপস্হিত কর্মকর্তারা শান্ত ভাষায় প্রতিবাদ জানালে চেয়ারম্যান অধিকতর উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করে এবং আনঅফিসিয়াল ভাষার প্রয়োগ ঘটায়।এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কবিরুল ইসামের ঘনিষ্ট সূএ বলেন,চেয়ারম্যানের আচরন মারমুখি ছিল না বা তিনি আক্রমাত্নক আচরন করেন নাই।উপজেলা নির্বাহী অপিসার অর্ণব দত্তের কাছে সভাস্হলের বিষয়ে চাইলে তিনি বলেন সভাস্হলের ঘটনা তিনি শুনেছেন এবং মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন।লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি ও আইনানুগ পন্থা অবলম্বন করবেন।
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাসিক সভায় আক্রমাত্নক আচরন,বিরক্ত,বিব্রত অফিসাররা
-
রিপোর্টার - আপডেট সময়: ০১:২৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
- ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ
















