দৃষ্টিপাত রিপোর্ট।।এবার বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।। এবার আগে ভাগেই শীতের উপস্হিতি এবং জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে।রিতীমত শুরুতেই চোক রাঙাচ্ছে শীত।সাতক্ষীরার বাস্তবতায় পুরোপুরি শীতের আগমন বিদ্যমান।অন্যবার আসি আসি করে শীত আসলেও এবার যেন অনেক টা তাড়াহুড়া করেই আসলো এই মৌসুম।-ফল ও ফসলের ঋতু হেমন্তকে বিদায় জানিয়ে কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে প্রকৃতিতে আগমনী বার্তা জানান দিয়েছে রূপবৈচিত্রের ঋতু শীত। ইতোমধ্যে উত্তরের শীতের হাওয়া বইছে।সেই সাথে হিমেল হাওয়াও। ভোরে সবুজ ঘাসের উপর বিন্দু বিন্দু শিশির কণা, জানান দিচ্চে শীত বর্তমান।শীতের আগমনী বার্গাতার সাথে সাথে লেপ, তোষক আর শীত উপকরনের কারিগর রা পাড়ায় পড়ায় চলেচে।আবার অনেকে হাট বাজারে শীত বস্ত্র এবং লেপ তোশক তৈরীতে মনোযোগী হয়েছে।শীতের বিশেষ আকর্ষন খেজুর রস, গাচিরা খেজুর গাচ প্রস্তুত করছে।গাছ ঝোড়া,চাষ দেওয়ার কাজ চলছে পুরোদমে,আর কয়েকদিন পরেই গাচে রস আসবে।তৈরী হবে পিঠা পায়েশ সহ হরেক রকম মিষ্টান্ন।বাজারে দেখা মিলছে শীতকালীন সবজি শীম, মুলা, ফুলকপি, বাধাকপি, লাউসহ সুস্বাদু হরেক রকমের সবজি। এ যেন শীতেরই উপহার।শীতের সবজির কলয়ানে সবজি বাজার স্হিতিশীল।কমতে শুরু করেছে শীতের সবজির মূল্য। ষড়ঋতুর চতুর্থ ঋতু হেমন্তের পরই আগমন ঘটে চিরন্তর সৌন্দর্য্যের ঋতু শীতের।শীত বাস্তবিক ই প্রকৃতি নিজেকে সাজানোর ঢঙ্গে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শীতের সকালের রয়েছে অনন্য সৌন্দর্য ও মাধুর্য। শীতের সকাল মানেই এক অন্যরকম অনূভুতি। ভোরে ঘন কুয়াশার আবরণ আর হাঁড কাঁপানো কনকনে শীতের অনুভূতি। দারনা করা হচ্চে আর কয়দিন পরেই হাড়কাপানো শীতের দেখা মেলবে। গ্রামবাংলার চিরায়ত বৈশিষ্ঠ্য শীতের দিনে গ্রামে গ্রামে নানান মেলার আয়োজন। জনজীবনে উৎসবের আমেজ শুরু হয়। ঘরে ঘরে পিঠা, পায়েস তৈরির ধুম পড়ে। শীতে পাওয়া যায় খেজুরের রস। গাছিরা ভোররাতে গাছ থেকে রসের হাড়ি নামায়। গাঁয়ের বধূরা সেই রস জ্বাল দেয়। চালের গুডো, কোরানারকেল আর গুড দিয়ে বানাই মজাদার ভাপা পিঠা। শিশুরা রোদে বসে খেজুরের রস দিয়ে ভাপা পিঠা খেতে খেতে অন্যরকম আনন্দের ঢেঁকুর তোলে। শীতের সকালে রোদে বসে পিঠাপুলি খাওয়ার মজাই আলাদা। শীতকালে তাপমাত্রা নেমে আসে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে একেবারে নিছে। সারাদিন এক ধরণের ঠান্ডা অনুভূত হয়। কোন কোন সময় সূর্যের দেখা মিলে না চার পাঁচদিন ধরে। রাতে শীত ঝেঁকে বসে। পৌষ আর মাঘ মাস নিয়ে শীতকাল হলেও শীত অগ্রাহায়ণ মাস থেকেই পড়তে শুরু করে। ইংরেজি নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে তীব্র হাঁডকাপানো শীত পড়ে আমাদের দেশে। মাঘ মাসের শীতের তীব্রতা বোঝাতে আমাদের দেশে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে”মাঘের শীতে, বাঘও কাঁপে”। মূলত শীত হচ্ছে গ্রীষ্মের বিপরীত এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় ঋতু। তবে শীতের আশীর্বাদ হচ্ছে প্রকৃতিতে নানারকম ফসলের আগমন। শীতকালীন সবজি বর্তমানে বাজারে শীম, ফুলকপি,ওলকপি,বাধাকপি, মেটে আলু কপি,পালংশাক, মূলাশাক, লাউ সহ নানান সবজি। শীতের শুরুতে বাংলাদেশের খাল বিল, হাওরে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে বিভিন্ন প্রজাতির পাখিরা আসতে শুরু করে। এক শ্রেনির শিকারীরা এ সকল অতিথি পাকি নিধনে সচেষ্ট থাকে।তীব্র শীত যাতনায় হত দরিদ্ররা শীত বস্ত্রের অবাবে কষ্ট পায়। আমরা সমাজে বসবাস কারিরা যে যার অবস্হান হতে শীতার্তদের সহযোগিতা করি।
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন:
দেখতে দেখতে এসে গেলো শীতঃসর্বএ শীতের আবহ
-
রিপোর্টার - আপডেট সময়: ০৫:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
- ১২৪ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ
















