আজ শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
দেবহাটা ইসলামী ছাএ শিবিরে গৃহদাহঃ নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিরোধের মুখে জেলা নেতৃত্বঃসখিপুর মাদ্রাসা সভায় উত্তেজনাঃ পুলিশী উপস্হিতি পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রন পারুলিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অনুপ স্যারের পরলোক গমন চলে গেলেন মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী পারুলিয়ার আতিয়ার রহমান গদাই কুলিয়ার টিকেটে ভূগর্ভস্হ অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান কালে বালু দস্যু মোস্তফা অপদস্হ করলো ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকেঃজনপ্রতিরোধে পালানো মোস্তফাঃ মামলার প্রস্তুুতি দেবহাটার কুলিয়ায় বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুর ইসলামের রাষ্টীয় মর্যাদায় দাফন দেবহাটায় অসুস্থ জামায়াত কর্মি এবাদুলকে আর্থিক সহায়তা দিলেন জামায়াতের আমীর মাদক, ছিনতাই দেহ ব্যবসায়ী খোদে ও পুএদের শাস্তি ও বিতাড়িত করতে পারুলিয়ায় সকল দল মত এক কাতারেঃ মানব বন্ধনে হাজরো প্রতিবাদী জনসমাজঃজামিন বাতিলের দাবী, দেবহাটার গূর্গম এলাকা টিকেটে গৃহিনীর উপর সন্ত্রাসী হামলা,আহত গৃহবধু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, হামলা সোনার চেইন,দুল ছিনতাইয়ের অভিযোগ সাতক্ষীরার হাট বাজারে আলো ছড়ানো আম, তাল,লিছুর উপস্হিতি, আগমনী বার্তা জানাচ্ছে কাঁঠাল,রাজধানীতে যাচ্ছে এইসব ফল,জেলায় বইছে অর্থনীতির সুবাতাস খুলনা বিভাগে প্রাথমিকের ফুটবলে সাতক্ষীরাই সেরা,বইছে আন্নদ উচ্ছাস,সর্বএ জয় উৎসব

সাতক্ষীরায় ভূগর্ভস্হে বালু দস্যুদের হানাঃ চলছে বালু উত্তোলন উৎসবঃপ্রতিমুহূর্তে ড্রেজার যন্ত্রের আওয়াজঃহাতছানি দিচ্ছে ভূমিকম্পঃ উত্তোলন চলছে প্রকাশ্যেঃ আইন প্রয়োগে শৈথিল্যঃশীর্ষে দেবহাটাঃ বাড়ছে জনমনে ক্ষোভঃ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।সাতক্ষীরায় চলছে আইন বিরোধী অবৈধ বালু উত্তলোনের মহাউৎসব। প্রকাশ্যে দিনে রাতে ড্রেজার যন্ত্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভূগর্ভস্হের বালু উত্তোলন করা হচ্ছে অথচ আইনের প্রয়োগ ঘটছে না।জনমনে বাড়ছে ক্ষোভ।এক শ্রেনির বালু দস্যুদের আগ্রাসী ছোবলে জেলার বিস্তীর্ন জনপথ কাঁদছে।,ভূগর্ভস্হে রক্তক্ষরন হচ্ছে।, জেলার নদ নদী,খাল,জলাশয়,পুকুর, ফসলীজমি,মৎস্যঘের সর্বএ চলছে বালু উত্তলোনের আগ্রাসন। প্রকাশ্যে ভূমিকম্পের মহাবিপদের কর্মযঙ্গ অভ্যহত থাকলে ও আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব আর শৈথিল্যতায় অবাধে চলছে ভূগর্ভস্হের বালু উত্তলোন। জেলার বিভিন্ন এলাকাতে বালু উত্তোলনের যে ভয়াবহ চিএ সে ক্ষেএে দেবহাটা উপজেলা শীর্ষে।এই উপজেলার অন্তত ৪ /৫ টি স্পটে ভূগর্ভস্হ হতে বালু তোলা হচ্ছে এবং ড্রেজার মেশিন বসানোর প্রক্রিয়া চলছে। ২০১০ ও ২০২৩ সালের সংশোধীত বালু ব্যবস্হাপনা আইনে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে নদীর তলদেশ,কৃষিজমি,পুকুর,জলাশয় হতে বালু উত্তলোন করা যাবে না।বে আইনি ভাবে ড্রেজার মেশিনের সাহায্যে বালু উত্তলোন করা হলে ড্রেজার মেশিন জব্দ সহ সর্বনিম্ন ৫০ হাজার হতে ১০০০০০০ লক্ষ্য টাকা জরিমানা অথবা ২ বছর কারদন্ডে ডন্ডিত হবে। আইনে আর ও বলা হয়েছে বানিজ্যিক ভাবে কোন অবস্হাতেই বালু উত্তলোন করা যাবে না। নিজ প্রয়োজনে নিজস্ব মালিকানা জমি হতে অল্প পরিসরে যথাযথ কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলে কেবল উত্তলোন করা যাবে। নদীর গতিপথ স্বাভাবিক রাখতে ড্রসিং করার ক্ষেএে ও বিধি সাপেক্ষে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি আইন সিদ্ধ। দেশের আইনে বালু উত্তলোনের ক্ষেএে কেমন কঠোরতা তা সহজেই অনুমেয়। অতীতের যে কোন সময় অপেক্ষা সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সাতক্ষীরা বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু সিন্ডিকেট অতি সরব।গত ৬ এপ্রিল জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় ভ্রামমান আদালত বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা সহ মেশিন জব্দ করায় জনসাধারনের মাঝে বিশেষ স্বস্তি আনায়ন করেছে। তবু থেমে নেই বালু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা। বিভিন্ন সূএ নিশ্চিত করেছে সদর উপজেলার বকচরায়,ধুলিহরের হাজিখালি বিল,তালা পাটকেলঘাটার কপোতাক্ষ তীর বর্তি তে, দেবহাটার ইছামতি নদী সংলগ্ন চর রহীমপুরে,কোমরপুর,পাচপোতা,টিকেট হিজলডাঙ্গা, কালিগঞ্জের কাকশিয়ালী অববাহিকা এলাকা,শ্যামনগরের গাবুরার লেবুবনিয়ায়,জেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু উত্তলোনের খবর পাওয়া গেছে।খোলপেটুয়ায় রাতের অন্ধকরে কার্গোর সহায়তায় বালু ওঠানোর দুঃসাহসিক ঘটনা ঘটছে।বালু উত্তলোন কেবল ভূমিকম্পের ঝুকির মুখে সাতক্ষীরা কে নির্ক্ষিপ্ত করছে তা নয়, নদী ভাঙ্গন,জীব বৈচিএের ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। তথ্যা নুসন্ধানে জানা গেছে জেলার একশ্রণির করিগর স্হানীয় প্রযুক্তির সহায়তায় ড্রেজার মেশিন তৈরী করে এবং তাদের আয় উপার্জনের মাধ্যম হিসেব বিভিন্ন উপজেলা ও নদী তীরবর্তী এলাকায় ব্যক্তি বর্গকে আর্থিক লোভ দেখিয়ে অবৈধ বালু উত্তলোনে সম্পৃক্ত করছে।ড্রেজার মেশিন মূল হোতাদের তারা ব্যক্তি বিশেষের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে প্রকান্তরে নাম ব্যবহারকারীরা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে। দৃষ্টিপাতের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ড্রেজার মেশিন তেরীর হোতা, মালিক ও ব্যবহার হওয়া বালু উত্তলোন কারীদের চিএ।সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের (ঠিকাদার)একটি অংশ সরকার প্রদেয় বালুর মূল্য অপেক্ষা অধিকতর কম মূল্যেভূগর্ভস্হ বালু পাওয়ায় অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলন দিনে দিনে বিস্তৃত হচ্ছে। গুনগত মানের ক্ষেএে ভূ গর্ভস্হ বালু নিম্ন মানের, নির্মান ক্ষেএের সাথে সম্পৃক্তরা জানান ভূগর্ভস্হ বালু কাদা মাটি মিশ্রিত যা সরকার প্রদত্ত বালুর মূল্য অপেক্ষা কম এবং অতি নিম্ন মানের অথচ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অবলিলায় ব্যবহৃত হচ্ছে ভূগর্ভস্হ বালু আর দায়িক্ত প্রাপ্ত প্রকোশলীরা নির্মানে কাদা মাটি মিশ্রিত বালুর বৈধতা দিচ্ছে। সূএ জানায় আশাশুনি,শ্যামনগর, ও তালা এলাকার কয়েকজন ড্রেজার মালিক উপজেলা ভিত্তিক বালু উতৃতোলন করে চলেছে এবং স্হানীয় ব্যক্তিদের নামে উক্ত বালু উত্তলোন করে থাকে।সম্প্রতি বিভিন্ন উপজেলায় সাধারন মানুষ বালু উত্তলোনে বাঁধা দিলে বলা হয় বালু তুলতে না দিলে সড়ক ও অন্যান্য নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যাবে অথচ সরকার বালুর জন্য পৃথক মূল্য নির্ধারন করে কাজের টেণ্ডার দিয়ে থাকে। ভূগর্ভস্হের বালু উত্তলোন কেবল ভূমিকম্পের আগমন ঘটায় তা নয় কাঁদা, ময়লা মিশ্রিত এই বালু নিম্ন মানের বিধায় নির্মানে গুনগত মান নষ্ট হয়।ঠিকাদার রা এই অবৈধ ও মানহীন বালু দিয়ে নির্মান কাজ করছে এবং দায়িক্তপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা তার বৈধতা দিচ্ছে। একদিকে মাটির তলস্তর সরে যাচ্ছে,ফাকা হচ্ছে, বাড়ছে ভূমিকম্প সহ ভূমিঢসের আশাঙ্কা এবং অন্যদিকে ভূগর্ভস্হের গুনগত মানহীন বালু ব্যবহারে নির্মিত হচ্ছে সরকারি নির্মান কর্মযঙ্গ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবহাটা ইসলামী ছাএ শিবিরে গৃহদাহঃ নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিরোধের মুখে জেলা নেতৃত্বঃসখিপুর মাদ্রাসা সভায় উত্তেজনাঃ পুলিশী উপস্হিতি পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রন

সাতক্ষীরায় ভূগর্ভস্হে বালু দস্যুদের হানাঃ চলছে বালু উত্তোলন উৎসবঃপ্রতিমুহূর্তে ড্রেজার যন্ত্রের আওয়াজঃহাতছানি দিচ্ছে ভূমিকম্পঃ উত্তোলন চলছে প্রকাশ্যেঃ আইন প্রয়োগে শৈথিল্যঃশীর্ষে দেবহাটাঃ বাড়ছে জনমনে ক্ষোভঃ

আপডেট সময়: ০১:৩২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।সাতক্ষীরায় চলছে আইন বিরোধী অবৈধ বালু উত্তলোনের মহাউৎসব। প্রকাশ্যে দিনে রাতে ড্রেজার যন্ত্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভূগর্ভস্হের বালু উত্তোলন করা হচ্ছে অথচ আইনের প্রয়োগ ঘটছে না।জনমনে বাড়ছে ক্ষোভ।এক শ্রেনির বালু দস্যুদের আগ্রাসী ছোবলে জেলার বিস্তীর্ন জনপথ কাঁদছে।,ভূগর্ভস্হে রক্তক্ষরন হচ্ছে।, জেলার নদ নদী,খাল,জলাশয়,পুকুর, ফসলীজমি,মৎস্যঘের সর্বএ চলছে বালু উত্তলোনের আগ্রাসন। প্রকাশ্যে ভূমিকম্পের মহাবিপদের কর্মযঙ্গ অভ্যহত থাকলে ও আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব আর শৈথিল্যতায় অবাধে চলছে ভূগর্ভস্হের বালু উত্তলোন। জেলার বিভিন্ন এলাকাতে বালু উত্তোলনের যে ভয়াবহ চিএ সে ক্ষেএে দেবহাটা উপজেলা শীর্ষে।এই উপজেলার অন্তত ৪ /৫ টি স্পটে ভূগর্ভস্হ হতে বালু তোলা হচ্ছে এবং ড্রেজার মেশিন বসানোর প্রক্রিয়া চলছে। ২০১০ ও ২০২৩ সালের সংশোধীত বালু ব্যবস্হাপনা আইনে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে নদীর তলদেশ,কৃষিজমি,পুকুর,জলাশয় হতে বালু উত্তলোন করা যাবে না।বে আইনি ভাবে ড্রেজার মেশিনের সাহায্যে বালু উত্তলোন করা হলে ড্রেজার মেশিন জব্দ সহ সর্বনিম্ন ৫০ হাজার হতে ১০০০০০০ লক্ষ্য টাকা জরিমানা অথবা ২ বছর কারদন্ডে ডন্ডিত হবে। আইনে আর ও বলা হয়েছে বানিজ্যিক ভাবে কোন অবস্হাতেই বালু উত্তলোন করা যাবে না। নিজ প্রয়োজনে নিজস্ব মালিকানা জমি হতে অল্প পরিসরে যথাযথ কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলে কেবল উত্তলোন করা যাবে। নদীর গতিপথ স্বাভাবিক রাখতে ড্রসিং করার ক্ষেএে ও বিধি সাপেক্ষে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি আইন সিদ্ধ। দেশের আইনে বালু উত্তলোনের ক্ষেএে কেমন কঠোরতা তা সহজেই অনুমেয়। অতীতের যে কোন সময় অপেক্ষা সাম্প্রতিক সময়গুলোতে সাতক্ষীরা বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু সিন্ডিকেট অতি সরব।গত ৬ এপ্রিল জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় ভ্রামমান আদালত বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা সহ মেশিন জব্দ করায় জনসাধারনের মাঝে বিশেষ স্বস্তি আনায়ন করেছে। তবু থেমে নেই বালু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা। বিভিন্ন সূএ নিশ্চিত করেছে সদর উপজেলার বকচরায়,ধুলিহরের হাজিখালি বিল,তালা পাটকেলঘাটার কপোতাক্ষ তীর বর্তি তে, দেবহাটার ইছামতি নদী সংলগ্ন চর রহীমপুরে,কোমরপুর,পাচপোতা,টিকেট হিজলডাঙ্গা, কালিগঞ্জের কাকশিয়ালী অববাহিকা এলাকা,শ্যামনগরের গাবুরার লেবুবনিয়ায়,জেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু উত্তলোনের খবর পাওয়া গেছে।খোলপেটুয়ায় রাতের অন্ধকরে কার্গোর সহায়তায় বালু ওঠানোর দুঃসাহসিক ঘটনা ঘটছে।বালু উত্তলোন কেবল ভূমিকম্পের ঝুকির মুখে সাতক্ষীরা কে নির্ক্ষিপ্ত করছে তা নয়, নদী ভাঙ্গন,জীব বৈচিএের ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। তথ্যা নুসন্ধানে জানা গেছে জেলার একশ্রণির করিগর স্হানীয় প্রযুক্তির সহায়তায় ড্রেজার মেশিন তৈরী করে এবং তাদের আয় উপার্জনের মাধ্যম হিসেব বিভিন্ন উপজেলা ও নদী তীরবর্তী এলাকায় ব্যক্তি বর্গকে আর্থিক লোভ দেখিয়ে অবৈধ বালু উত্তলোনে সম্পৃক্ত করছে।ড্রেজার মেশিন মূল হোতাদের তারা ব্যক্তি বিশেষের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে প্রকান্তরে নাম ব্যবহারকারীরা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে। দৃষ্টিপাতের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ড্রেজার মেশিন তেরীর হোতা, মালিক ও ব্যবহার হওয়া বালু উত্তলোন কারীদের চিএ।সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের (ঠিকাদার)একটি অংশ সরকার প্রদেয় বালুর মূল্য অপেক্ষা অধিকতর কম মূল্যেভূগর্ভস্হ বালু পাওয়ায় অবৈধ পন্থায় বালু উত্তোলন দিনে দিনে বিস্তৃত হচ্ছে। গুনগত মানের ক্ষেএে ভূ গর্ভস্হ বালু নিম্ন মানের, নির্মান ক্ষেএের সাথে সম্পৃক্তরা জানান ভূগর্ভস্হ বালু কাদা মাটি মিশ্রিত যা সরকার প্রদত্ত বালুর মূল্য অপেক্ষা কম এবং অতি নিম্ন মানের অথচ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অবলিলায় ব্যবহৃত হচ্ছে ভূগর্ভস্হ বালু আর দায়িক্ত প্রাপ্ত প্রকোশলীরা নির্মানে কাদা মাটি মিশ্রিত বালুর বৈধতা দিচ্ছে। সূএ জানায় আশাশুনি,শ্যামনগর, ও তালা এলাকার কয়েকজন ড্রেজার মালিক উপজেলা ভিত্তিক বালু উতৃতোলন করে চলেছে এবং স্হানীয় ব্যক্তিদের নামে উক্ত বালু উত্তলোন করে থাকে।সম্প্রতি বিভিন্ন উপজেলায় সাধারন মানুষ বালু উত্তলোনে বাঁধা দিলে বলা হয় বালু তুলতে না দিলে সড়ক ও অন্যান্য নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যাবে অথচ সরকার বালুর জন্য পৃথক মূল্য নির্ধারন করে কাজের টেণ্ডার দিয়ে থাকে। ভূগর্ভস্হের বালু উত্তলোন কেবল ভূমিকম্পের আগমন ঘটায় তা নয় কাঁদা, ময়লা মিশ্রিত এই বালু নিম্ন মানের বিধায় নির্মানে গুনগত মান নষ্ট হয়।ঠিকাদার রা এই অবৈধ ও মানহীন বালু দিয়ে নির্মান কাজ করছে এবং দায়িক্তপ্রাপ্ত প্রকৌশলীরা তার বৈধতা দিচ্ছে। একদিকে মাটির তলস্তর সরে যাচ্ছে,ফাকা হচ্ছে, বাড়ছে ভূমিকম্প সহ ভূমিঢসের আশাঙ্কা এবং অন্যদিকে ভূগর্ভস্হের গুনগত মানহীন বালু ব্যবহারে নির্মিত হচ্ছে সরকারি নির্মান কর্মযঙ্গ।