বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।অন্তবর্তি সরকারের সময়ে নির্বাচিত প্রাথমিকের ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের হাতে নিয়োগ পএ পৌছানোর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটলো । সারা দেশের ন্যায় সাতক্মাষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ঝেষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত ১৯৫ জন নিয়োগ পএ পেয়েছে।অবশ্য সাতক্ষীরা জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদে ১৯৯ জনকে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হলে ও বিভিন্নমুখি জটিলতার কারনে ১৯৫ জনের কাছে নিয়োগপত্র পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় প্রাথমিক শিক্ষক নির্বাচন কমিটি সাতক্ষীরা জেলার জন্য প্রার্থীদের সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেতনক্রমে (গ্রেড-১৩) অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর তাঁদের শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য হবে। কর্মদক্ষতা, আচরণ ও সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ডের ভিত্তিতে বিধি অনুযায়ী চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। নিয়োগপত্রে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষানবিশকালে কোনো ধরনের বদলির আবেদন করা যাবে না। শিশুদের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না। নিয়োগের সময় দেওয়া কোনো তথ্য বা সনদ পরবর্তী সময়ে মিথ্যা, ভুয়া বা ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের কাগজপত্র ও তথ্য যাচাই করে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য বা কাগজপত্রে ত্রুটি পাওয়া গেছে, তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। যাচাই-বাছাই ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়োগপত্র পাওয়া প্রার্থীদের আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অফিস চলাকালীন সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে চাকরিতে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে যোগদান না করলে তাঁরা চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে গণ্য হবেন এবং নিয়োগপত্র বাতিল বলে বিবেচিত হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের পর সরকার নির্ধারিত দুই মাসের প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে। এ ছাড়া চাকরিতে যোগদানের চার বছরের মধ্যে নির্ধারিত মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণে ব্যর্থ হলে বা অনুত্তীর্ণ হলে চাকরি স্থায়ী করা হবে না বলে নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের নিয়োগপত্রে এসব শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে নিয়োগপএ প্রেরন, উপজেলা ভিত্তিক অভ্যন্তরীন শিক্ষক বদলি সহ প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর ব্যস্ততম সময় অতিক্রম করছে।
শিরোনাম:
অপেক্ষার অবসান, সাতক্ষীরায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র পেলো ১৯৫ জন
-
রিপোর্টার - আপডেট সময়: ০৩:০০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- ৫০৫ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ











