আজ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সিলেট বরিশালের বাজারে ব্যাপক চাহিদা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকাস্থ দেবহাটা সমিতির পারুলিয়া বাজারে সচেতনতা মূলক সভা বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীদের সংগঠন দরদির নতুন কমিটি গঠন, সদস্যদের আলো ছড়ানো উপস্হিতি দেবহাটা সীমান্তের ইছামতীতে বিজয়া দশমীতে উপচে পড়া ভিড়,দুই পারের জনমানুষের আবেগ অনুভূতির সম্নিলন,প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে স্ব স্ব সীমানায়,সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল নিছিদ্র দেবহাটায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছুর রহমান মুকুলের মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু দেবহাটার পারুলিয়ার সন্তান কামরুজ্জামান রিপন হলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মহা অষ্টমীতেক কুমারী রূপে দেবী দুর্গার বন্দনা : আজ মহানবমী,মণ্ডবে মণ্ডবে ঁবাজবে বিদায়ের সুর দেবহাটার বিএনপি নেতৃবৃন্দ কে নিয়ে পুজা মন্ডব পরিদর্শন করলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক শামীম হত্যার দায় স্বীকার করলো প্রধান আসামী আমিনী কক্সবাজার রিসোর্ট ট্যাজেডি,হারিয়ে গেলো সাতক্ষীরা কন্যা, স্বামী সহ দুই শিশু সন্তান

দেবহাটা সীমান্তের ইছামতীতে বিজয়া দশমীতে উপচে পড়া ভিড়,দুই পারের জনমানুষের আবেগ অনুভূতির সম্নিলন,প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে স্ব স্ব সীমানায়,সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল নিছিদ্র

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

Oplus_16908288

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।। সনাতন ধর্মবলাম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় আয়োজন দূর্গোৎসব গতকাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।সাতক্ষীরার বাস্তবতায় জেলার শতাধীক পূজা মণ্ডবে গতকাল সকাল হতেই ছড়িয়ে পড়ে বিষাদের ছায়া, মা দূর্গার বিদায়,তবে সিদুর খেলা আর আগামী বছর আবার মা দূর্গা আসবেন এমন ই আশার বাী ছিল ভক্তদের মাঝে।প্রতিমা বিসর্জনের বৃহত্তম আয়োজন ছিল জেলার ইছামতি নদী।শত বচরেরর ঐতিয্য বাংলাদেশ ভারত বিভক্তকরন ইছামতিতে দুই বাংলার মানুষ প্রতিমা বিসর্জন সেই সাথে মাটির ময়ায় বন্ধনে আবদ্ধ দুই তীরের মানুষগুলো একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে অতীত, বর্তমান আর সমসাময়িক বিষয়াবলী একে অপরের মাঝে ভাগাভাগি করে। কিন্তু সীমান্ত আইন সহ প্রতিবন্ধকতায় গত কয়েক বছর যাবৎ দুই তীরের মানুষের মিলন মেলা অনুপস্হিত তার ই ধারাবাহিকতায় এবার ও মিলন মেলার দেকা পাওয়া যাইনি তবে আবেগ, অনুবূতি আর একে অপরের সাথে মেলার অফুরন্ত ইচ্ছাশক্তি দেখা গেছে। দৃশ্যত মিলন মেলা না হলে ও গতকাল সন্ধ্যায় দেবহাটার ইছামতি নদীতে নদী ইছামতীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। দুই দেশের মানুষ নিজ নিজ সীমান্তে থেকে প্রতিমা বিসর্জন দিলেও নদীতে নৌকা নিয়ে একসঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেননি।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ স্ব স্ব সীমান্তে টহলে ছিল।গতকাল বিজয়া দশমীতে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টাউন শ্রীপুর ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের টাকি পৌরসভা-সংলগ্ন ইছামতী নদীর তীরে হাজারো মানুষের সমাগম হয়।দুফুর হতে না হতেই দেবহাটা সীমান্তের টাউনশ্রীপুর,চর শ্রীপুর উপজেলা সদর সহ পুরো সীমান্ত এলাকায় ব্যাপ লোকের সমাগম ঘটে। দুই দেশের বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে আসেন ভক্তরা। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে প্রতিমা বিসর্জন। তবে নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের কাউকে নৌকা নিয়ে নদীতে নামতে দেওয়া হয়নি। বহু পূর্ব হতে আগে থেকেই বিজয়া দশমীতে নদীর দুই তীরে বসত এই মিলনমেলা। সীমান্তের কাঁটাতার আর আন্তর্জাতিক সীমারেখা পেরিয়ে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা, কুশল বিনিময় এবং উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতেন দুই দেশের মানুষ। বাংলাদেশে জম্ন তথা সাতক্ষীরা, দেবহাটায় জম্ন নেওয়া বর্তমান ভারতীয় তাদের জন্য ও বিজয়া দশমীতে পরিচিতদের সাথে দেখা হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। একসময় দেবহাটার টাউন শ্রীপুর থেকে ভারতের টাকি পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীতে নৌকা, লঞ্চ ও স্টিমারের ভিড় জমত। নৌকার ভিড়ে নদীর পানি পর্যন্ত দেখা যেত না। দুই বাংলার প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর হয়ে উঠত নদীর দুই পাড়। কিন্তু গত কয়েক বছর ঐ দৃশ্য বিরল। এবারও নদীর জিরো পয়েন্টে ডিঙি নৌকায় লাল পতাকা উড়িয়ে দুই দেশের সীমারেখা চিহ্নিত করতে দেখা যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে। বাংলাদেশের দিকে বেড়িবাঁধে অবস্থান নেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয় টহল।উপজেলা সদরেরর বাসিনৃদাদের ভাষ্য, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এখানে আগে মিলনমেলা হতো। ছোটবেলায় দেখেছি, পুরো নদী নৌকায় ভরে থাকত। নৌকার কারণে পানি দেখা যেত না। অসংখ্য নৌকা, স্টিমার ও লঞ্চ আসত। ভারতের প্রতিমাও এদিকে ভেসে আসত। এখন আর সেই দৃশ্য নেই।সীমান্তের এপার হতে ও পারের প্রতিমা বিসর্জন এবং ওপার হতে এ পারের প্রতিমা বিসর্জন গোধুলী বেলায় আলো আধারীর মধ্যে উপভোগ করছিল দুই দেশের মানুষগুলো।ইচামতির পাশাপাশপ জেলার কপোতাক্ষ নদ,খোলপোটুয়া,কাকশিয়ালী,বেতনা,কুলিয়া খাল সহ স্হানীয় পর্যায়ের খাল, সহ বিভিন্ন জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়েছে।সাতক্ষীরার বাস্তবতায় এবারের দূর্গোৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ন ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার সহ অপরাপর কর্তপক্ষ পুজারদিন গুলো অতি দায়িক্তশীল ভূমিকা পালন করেছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট বরিশালের বাজারে ব্যাপক চাহিদা

দেবহাটা সীমান্তের ইছামতীতে বিজয়া দশমীতে উপচে পড়া ভিড়,দুই পারের জনমানুষের আবেগ অনুভূতির সম্নিলন,প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে স্ব স্ব সীমানায়,সীমান্ত নিরাপত্তা ছিল নিছিদ্র

আপডেট সময়: ০৪:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।। সনাতন ধর্মবলাম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় আয়োজন দূর্গোৎসব গতকাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।সাতক্ষীরার বাস্তবতায় জেলার শতাধীক পূজা মণ্ডবে গতকাল সকাল হতেই ছড়িয়ে পড়ে বিষাদের ছায়া, মা দূর্গার বিদায়,তবে সিদুর খেলা আর আগামী বছর আবার মা দূর্গা আসবেন এমন ই আশার বাী ছিল ভক্তদের মাঝে।প্রতিমা বিসর্জনের বৃহত্তম আয়োজন ছিল জেলার ইছামতি নদী।শত বচরেরর ঐতিয্য বাংলাদেশ ভারত বিভক্তকরন ইছামতিতে দুই বাংলার মানুষ প্রতিমা বিসর্জন সেই সাথে মাটির ময়ায় বন্ধনে আবদ্ধ দুই তীরের মানুষগুলো একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে অতীত, বর্তমান আর সমসাময়িক বিষয়াবলী একে অপরের মাঝে ভাগাভাগি করে। কিন্তু সীমান্ত আইন সহ প্রতিবন্ধকতায় গত কয়েক বছর যাবৎ দুই তীরের মানুষের মিলন মেলা অনুপস্হিত তার ই ধারাবাহিকতায় এবার ও মিলন মেলার দেকা পাওয়া যাইনি তবে আবেগ, অনুবূতি আর একে অপরের সাথে মেলার অফুরন্ত ইচ্ছাশক্তি দেখা গেছে। দৃশ্যত মিলন মেলা না হলে ও গতকাল সন্ধ্যায় দেবহাটার ইছামতি নদীতে নদী ইছামতীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। দুই দেশের মানুষ নিজ নিজ সীমান্তে থেকে প্রতিমা বিসর্জন দিলেও নদীতে নৌকা নিয়ে একসঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেননি।বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ স্ব স্ব সীমান্তে টহলে ছিল।গতকাল বিজয়া দশমীতে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টাউন শ্রীপুর ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের টাকি পৌরসভা-সংলগ্ন ইছামতী নদীর তীরে হাজারো মানুষের সমাগম হয়।দুফুর হতে না হতেই দেবহাটা সীমান্তের টাউনশ্রীপুর,চর শ্রীপুর উপজেলা সদর সহ পুরো সীমান্ত এলাকায় ব্যাপ লোকের সমাগম ঘটে। দুই দেশের বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে আসেন ভক্তরা। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে প্রতিমা বিসর্জন। তবে নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের কাউকে নৌকা নিয়ে নদীতে নামতে দেওয়া হয়নি। বহু পূর্ব হতে আগে থেকেই বিজয়া দশমীতে নদীর দুই তীরে বসত এই মিলনমেলা। সীমান্তের কাঁটাতার আর আন্তর্জাতিক সীমারেখা পেরিয়ে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা, কুশল বিনিময় এবং উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতেন দুই দেশের মানুষ। বাংলাদেশে জম্ন তথা সাতক্ষীরা, দেবহাটায় জম্ন নেওয়া বর্তমান ভারতীয় তাদের জন্য ও বিজয়া দশমীতে পরিচিতদের সাথে দেখা হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। একসময় দেবহাটার টাউন শ্রীপুর থেকে ভারতের টাকি পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীতে নৌকা, লঞ্চ ও স্টিমারের ভিড় জমত। নৌকার ভিড়ে নদীর পানি পর্যন্ত দেখা যেত না। দুই বাংলার প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর হয়ে উঠত নদীর দুই পাড়। কিন্তু গত কয়েক বছর ঐ দৃশ্য বিরল। এবারও নদীর জিরো পয়েন্টে ডিঙি নৌকায় লাল পতাকা উড়িয়ে দুই দেশের সীমারেখা চিহ্নিত করতে দেখা যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে। বাংলাদেশের দিকে বেড়িবাঁধে অবস্থান নেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয় টহল।উপজেলা সদরেরর বাসিনৃদাদের ভাষ্য, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এখানে আগে মিলনমেলা হতো। ছোটবেলায় দেখেছি, পুরো নদী নৌকায় ভরে থাকত। নৌকার কারণে পানি দেখা যেত না। অসংখ্য নৌকা, স্টিমার ও লঞ্চ আসত। ভারতের প্রতিমাও এদিকে ভেসে আসত। এখন আর সেই দৃশ্য নেই।সীমান্তের এপার হতে ও পারের প্রতিমা বিসর্জন এবং ওপার হতে এ পারের প্রতিমা বিসর্জন গোধুলী বেলায় আলো আধারীর মধ্যে উপভোগ করছিল দুই দেশের মানুষগুলো।ইচামতির পাশাপাশপ জেলার কপোতাক্ষ নদ,খোলপোটুয়া,কাকশিয়ালী,বেতনা,কুলিয়া খাল সহ স্হানীয় পর্যায়ের খাল, সহ বিভিন্ন জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়েছে।সাতক্ষীরার বাস্তবতায় এবারের দূর্গোৎসব অত্যন্ত শান্তিপূর্ন ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার সহ অপরাপর কর্তপক্ষ পুজারদিন গুলো অতি দায়িক্তশীল ভূমিকা পালন করেছেন।