আজ বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস দেবহাটা নোয়াপাড়ার রামনাথপুরে মাদক বিরোধী র‍্যালির ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পারুলিয়ার সমাজ সেবক যুগ্ন সচিব আবুল হাসানের পিতা আব্বাজ আলী গাজীর দাফন সম্পন্ন কুলিয়ায় জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি দেবহাটায় উল্টো রথের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা প্রত্যয় হাজারীর মৃত্যু কাঁদিয়েছে শত সহস্র মা বাবাকেঃ কাঁদছে সহপাঠি,প্রতিবেশি, স্বজনঃ প্রতিনিয়ত মৃত্যুমুখে প্রত্যয়রা,কিন্তু কেন? দেবহাটায় ইয়াবা ও ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী সহ গ্রেফতার দুই দেবহাটায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের সাথে নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরে ভাইরাল হওয়া রুনা গ্রেপ্তার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ঃ প্রশংসিত হলো আলো ছড়ানো সাতক্ষীরা স্টলঃপরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী

পনের দিনে মধ্যে খাল খনন শুরুঃ সাতক্ষীরার ৭১ খাল খননের আওতায় আনা জরুরি

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন, পুরাতন খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে ও মৎস্যে বিপ্লব আনায়ন করেছিলেন।পরবর্তি শাসনামলে খাল খনন বন্ধ হয় যে কারনে দেশের এগিয়ে চলা কৃষি পিছিয়ে পড়ে। সদয় শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএবপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল খাল খনন কর্মসূচির প্রবর্তন ঘটানো।প্রদানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে অগ্রাধিকারেরর ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচি শুরুর পদক্ষেপ গ্রহন করতে যাচ্ছে।খবরে প্রকাশ আগামী পনের দিনের মধ্যে খাল খনন শুরু করতে যাচ্ছে।সাতক্ষীরা দেশের কৃষির অপার সম্ভাবনার মহাক্ষেএ বিধায় এই জেলার খাল খনন বিশেষ জরুরি।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনদশায় তিনি সাতক্ষীরায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খাল খনন করে জেলার কৃষি উৎপাদন অনেক এগিয়ে নেন।৭১ টি কালের অস্তিত্ব বিদ্যমান এই জেলায়,জেলা বাসির প্রত্যাশা খাল খননের আওতায় সাতক্ষীরার খালগুলো খননের আনা সময়ের দাবি।ইতোপূর্বে সাতক্ষীরায় পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খাল খনন হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না কৃষক ও ঘের মালিকেরা। নদী ও খাল খননে সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং ঠিকাদারদের অনিয়ম-দুর্নীতিকে দুষছেন এলাকার মানুষ।অনিয়মে ও পরিকল্পনাহীনতায় খাল খননে সুফল অপেক্ষা অভিশাপে পড়েছে জেলাবাসি বেতনা, কাকশিয়ালি,পুটিমারি,কুলিয়া, সাপমারা,যমুনা,সোনাই, মরিচ্চাপ জিয়া খাল,নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এক দশকের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধতার কবলে সাতক্ষীরার জনসমাজ।জেলার খাল খননে যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে তা হলো পরিকল্পিত ভাবে খনন এবং অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত। এবং কৃষিতে উপকার হবে এমন খালগুলো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে খনন করতে হবে।সূএে প্রকাশ জেলার উল্লেখ যোগ্য সংখ্যকখাল এক শ্রেণির কতিত ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে দখলে এবং দূষনে অস্তিত্বহীনতায় যেয়ে পড়েছে।আবার বহু সংখ্যক খাল জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড করে সরকারেরর খাল মালিকানায় নিয়েছে ভূমি দস্যুরা।আবার এক শ্রেনির সরকারি দায়িক্তশীলদের যোগসাজসে খাল বন্দবস্ত দিয়ে কালের অস্তিত্ব নির্মুল করেছে।সাতক্ষীরার বিশ লক্ষাধ্যীক জনসমাজ অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন খাল খননের মাধ্যমে জেলার কৃষির ও মৎস্যের অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটবে।সাতক্ষীরা হবে শস্য ভাণ্ডার।অর্থনীতিতে বইবে সুবাতাস।একই সাথে খাল খনন হবে সব ধরনের অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত আবহে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ ওভার, ৫ মেডেন,৫ উইকেট ইতিহাস লিখলেন ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রিভস

পনের দিনে মধ্যে খাল খনন শুরুঃ সাতক্ষীরার ৭১ খাল খননের আওতায় আনা জরুরি

আপডেট সময়: ০৩:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাদশাহী বার্তা রিপোর্ট।।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন, পুরাতন খাল খননের মাধ্যমে কৃষিতে ও মৎস্যে বিপ্লব আনায়ন করেছিলেন।পরবর্তি শাসনামলে খাল খনন বন্ধ হয় যে কারনে দেশের এগিয়ে চলা কৃষি পিছিয়ে পড়ে। সদয় শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএবপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল খাল খনন কর্মসূচির প্রবর্তন ঘটানো।প্রদানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে অগ্রাধিকারেরর ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচি শুরুর পদক্ষেপ গ্রহন করতে যাচ্ছে।খবরে প্রকাশ আগামী পনের দিনের মধ্যে খাল খনন শুরু করতে যাচ্ছে।সাতক্ষীরা দেশের কৃষির অপার সম্ভাবনার মহাক্ষেএ বিধায় এই জেলার খাল খনন বিশেষ জরুরি।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনদশায় তিনি সাতক্ষীরায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খাল খনন করে জেলার কৃষি উৎপাদন অনেক এগিয়ে নেন।৭১ টি কালের অস্তিত্ব বিদ্যমান এই জেলায়,জেলা বাসির প্রত্যাশা খাল খননের আওতায় সাতক্ষীরার খালগুলো খননের আনা সময়ের দাবি।ইতোপূর্বে সাতক্ষীরায় পাঁচশ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খাল খনন হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলেনি। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছেন না কৃষক ও ঘের মালিকেরা। নদী ও খাল খননে সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং ঠিকাদারদের অনিয়ম-দুর্নীতিকে দুষছেন এলাকার মানুষ।অনিয়মে ও পরিকল্পনাহীনতায় খাল খননে সুফল অপেক্ষা অভিশাপে পড়েছে জেলাবাসি বেতনা, কাকশিয়ালি,পুটিমারি,কুলিয়া, সাপমারা,যমুনা,সোনাই, মরিচ্চাপ জিয়া খাল,নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এক দশকের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধতার কবলে সাতক্ষীরার জনসমাজ।জেলার খাল খননে যে বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে তা হলো পরিকল্পিত ভাবে খনন এবং অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত। এবং কৃষিতে উপকার হবে এমন খালগুলো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে খনন করতে হবে।সূএে প্রকাশ জেলার উল্লেখ যোগ্য সংখ্যকখাল এক শ্রেণির কতিত ভূমি দস্যুদের কবলে পড়ে দখলে এবং দূষনে অস্তিত্বহীনতায় যেয়ে পড়েছে।আবার বহু সংখ্যক খাল জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ড করে সরকারেরর খাল মালিকানায় নিয়েছে ভূমি দস্যুরা।আবার এক শ্রেনির সরকারি দায়িক্তশীলদের যোগসাজসে খাল বন্দবস্ত দিয়ে কালের অস্তিত্ব নির্মুল করেছে।সাতক্ষীরার বিশ লক্ষাধ্যীক জনসমাজ অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন খাল খননের মাধ্যমে জেলার কৃষির ও মৎস্যের অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটবে।সাতক্ষীরা হবে শস্য ভাণ্ডার।অর্থনীতিতে বইবে সুবাতাস।একই সাথে খাল খনন হবে সব ধরনের অনিয়ম ও দূর্ণিতীমুক্ত আবহে।